কেনাকাটা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কেনাকাটা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বর্তমান সময়ের সেরা ১০ টি স্মার্টফোন

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৪:৫৪ PM | |

১। HTC One M8

                               
প্রসেসরকোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ৪ মেগাপিক্সেল ডুয়েল টোন+এলইডি, ফ্রন্ট ৫ মেগাপিক্সেল এইচডি
ডিসপ্লে১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

২। LG G2

                          
প্রসেসরকোয়াডকোর ২.২৬ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ১৩ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২.১ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.২ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.২.২ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

৩। Samsung Galaxy S5


প্রসেসরকোয়াডকোর ২.৫ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ১৬ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.১ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি২৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

৪। Sony Xperia Z2


প্রসেসরকোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম৩ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ২০.৭ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.২ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ গিগাবাইট
ব্যাটারি৩২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

৫। Google Nexus 5


প্রসেসরকোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ৮ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.৩ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৪.৯৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি২৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৪ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

৬। iPhone 5s


প্রসেসরডুয়েলকোর ১.৩ গিগাহার্জ সাইক্লোন, অ্যাপল A7 চিপসেট
র‍্যাম১ গিগাবাইট DDR3
ক্যামেরারিয়ার ৮ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে৬৪০ x ১১৪০ পিক্সেল, ৪ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬, ৩২ ও ৬৪ গিগাবাইট
ব্যাটারি১৫৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেমঅ্যাপল আইওএস ৭.*

৭। Sony Xperia Z1 Compact


প্রসেসরকোয়াডকোর ২.২ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ২০.৭ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে৭২০x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৩ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬ গিগাবাইট
ব্যাটারি২৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

৮। Samsung Galaxy Note 3


প্রসেসরকোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম৩ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ১৩ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে১০৮০ x ১৯২০ পিক্সেল, ৫.৭ ইঞ্চি
স্টোরেজ১৬, ৩২ ও ৬৪ গিগাবাইট
ব্যাটারি৩২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

৯। Motorola Moto G


প্রসেসরকোয়াডকোর ১.২ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ চিপসেট
র‍্যাম১ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ৫ মেগাপিক্সেল, ১.৩ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে৭২০x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ৮ এবং ১৬ গিগাবাইট (ফিক্সড)
ব্যাটারি২০৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম৪.৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

১০। Nokia Lumia 1020


প্রসেসরডুয়েলকোর ১.৫ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট
র‍্যাম২ গিগাবাইট
ক্যামেরারিয়ার ৪১ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে৭৬৮x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ৩২ এবং ৬৪ গিগাবাইট (ফিক্সড)
ব্যাটারি২০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেমউইন্ডোজ ফোন ৮
Editor's Pick: Sony Xperia Z2
উপরের স্মার্টফোনগুলোর বেশিরভাগই বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। নিচে সম্ভাব্য মূল্য দেখে নিন:
1. HTC One M8 - 51300tk (16GB) & 59600tk (32GB)
2. LG G2 - 45600tk (16GB)
3. Samsung Galaxy S5 - 60000tk
4. Sony Xperia Z2 - 52500tk
5. Google Nexus 5 - 45000tk
6. iPhone 5S - 54000tk(16GB)
7. Sony Xperia Z1 Compact - 42800tk
8. Samsung Galaxy Note 3 - 45000tk
9. Motorola Moto G - unknown
10. Nokia Lumia 1020 - unknown
Read more ...

স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল দেখুন কোন মাসিক বিল ছাড়া

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৭:০০ AM | |
Untitled-1
আমাদের দেশে স্যাটেলাইট চ্যানেল আমরা ক্যাবল এর মাধ্যমে পেয়ে থাকি।এ জন্য আমাদের মাসে মাসে ২০০-৩০০ টাকা বা তারও বেশী বিল দিতে হয়।অনেক সময় দেখা যায় চ্যানেলের ভিডিও অডিও ক্লিয়ার আসে না,বিদ্যুৎ না থাকলে চ্যানেল আসে না,আবার ক্যাবল কেটে গেলে কয়েক দিন লাইন থাকে না তারপর ও মাসে মাসে বিল দিতে হয়।
আপনি যদি এক বার ২৮০০ টাকা খরচ করে স্যাটেলাইট সেটআপ বক্স ক্রয় করেন তাহলে কোন মাসিক বিল ছাড়া আজীবন (নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত)প্রায় ৬০টি চ্যানেল দেখতে পারবেন।
এর সুবিধা হল এর অডিও ভিডিও কোয়ালিটি প্রায় ডিভিডি কোয়ালিটির মত।
আপনার ঘরে বিদ্যুৎ থাকলেই (ইলেকট্রিক বিদ্যুৎ,সোলার বিদ্যুৎ বা জেনারেটর)এ চ্যানেল দেখতে পারবেন।
আপনার ঘর থেকে বাড়ির ছাদে ক্যাবল লাগতে পারে প্রায় ৫০মিটার তাই ক্যাবল কেটে যাওয়ার
সম্ভাবনা কম।
এটি সহজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সেটিং করা যায়।
এটি সেট করা তেমন একটা কঠিন কিছু না।ইচ্ছা করলে আপনিও এটি সেট করতে পারেন।
আমি নিজে আমার বাড়ির ছাদে এ সেটআপ বক্স টি সেট করেছি এবং আমি চ্যানেল গুলো উপভোগ করছি।
এর মাধ্যমে যে সব চ্যানেল দেখা যাবে সে গুলো হল
satelite channel
DD BANGLA, DD NATIONAL, 9X, 9XM, E24, ETC, ENTER 10, MUSIC INDIA, STAR UTSAV, ZEE SMAIL, B4U MUSIC.
এ ছাড়া আরও প্রায় ৫০ টি চ্যানেল দেখা যাবে।
তবে দুঃখের বিষয় এর মাধ্যমে কোন বাংলাদেশী চ্যানেল দেখা যাবে না।
এটি সেটআপ করতে যা যা লাগবে এবং এর দাম নিচে দেওয়া হলঃ
১।রিসিভার ১৭০০ টাকা।
২।KU BAND এল এন বি ৩০০ টাকা।
৩।ডিস ৬০০ টাকা।
৪।ডিসের ক্যাবল প্রয়োজন মত (গজ ৮ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত)
আমি যে রিসিভারটি ব্যাবহার করি তার নাম skylink এবং এর দাম ১৭০০ টাকা।এছাড়াও অন্যান্য রিসিভার ১৪৫০ টাকায় পাওয়া যায়।
এছাড়া আপনারা গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট থেকেও এর দাম জেনে নিতে পারেন।
Read more ...

বাজারে নতুন কিছু প্রিন্টার এসেছে যেগুলোতে প্রিন্ট খরচ খুবই কম।

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৩:৪৯ PM |
আজকে আপনাদের সাথে কিছু নতুন প্রিন্টারের পরিচয় করিয়ে দিবো। যা অরিজিনাল প্রিন্টারের ইন্ক সিস্টেমে খরচ কম। HP এই প্রিন্টারগুলোর ডায়ালগ শব্দ ব্যবহার করেছে Ink Advantage। Canon ব্যবহার করেছে Ink Efficient নামে। আর EPSON তাদেরটি কোন ডায়ালগ শব্দ ব্যবহার না করলেও Ink Tank System কেমন হবে এটা আমরা সবাই বুঝতে পারছি।

HP 1015 INK Advantage Inkjet Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print Only

পেপার :

  • Paper handling input, standard 60-sheet input tray
  • Media sizes supported : A4; B5; A6; DL envelope
  • Print quality black (best) : Up to 600 x 600 rendered dpi
  • Print quality color (best) : Up to 600 x 600 rendered dpi

Media types :

  • Paper (brochure, inkjet, plain), photo paper, envelopes, labels, cards (greeting)

প্রিন্ট স্পীড:

  • Black: ISO:Up to 7 ppm Draft:Up to 20 ppm, Color: ISO:Up to 4 ppm Draft:Up to 16 ppm

ডিউটি সাইকেল:

  • Duty cycle (monthly, A4) Up to 1000 pages

ইন্ক:

  • Cartridge: 678BK 678CL

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট:

  • Windows 8, Windows 7, Windows Vista, Windows XP (SP3)* or higher (32-bit only)
  • Mac OS X v10.6, Lion, Mountain Lion
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 4500BDT.

HP 1515 INK Advantage Inkjet All in One Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print, Scan, Copy

পেপার :

  • Paper handling input, standard 60-sheet input tray, Paper handling output, standard 25-sheet output tray
  • Media sizes supported : A4; B5; A6; DL envelope
  • Print quality (best) Color: Up to 4800 x 1200 optimized dpi color (when printing from a computer on selected HP photo papers and 1200 input dpi) Black: Up to 600 x 600 rendered dpi
  • Media types : Paper (brochure, inkjet, plain), photo paper, envelopes, labels, cards (greeting)

প্রিন্ট স্পীড:

  • Black: ISO:Up to 7 ppm Draft:Up to 20 ppm, Color: ISO:Up to 4 ppm Draft:Up to 16 ppm

ডিউটি সাইকেল:

  • Duty cycle (monthly, A4) Up to 1000 pages

ইন্ক:

  • Cartridge: 678BK 678CL

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট:

  • Windows 8, Windows 7, Windows Vista, Windows XP (SP3)* or higher (32-bit only) Mac OS X v10.6, Lion, Mountain Lion

অন্যান্য:

  • Scanner type: Flatbed, Scan file format: JPEG, TIFF, PDF, BMP, PNG Scan resolution, opticalUp to 1200 dpi
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 6500BDT.

Canon E400 INK Efficient Inkjet All in One Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print, Scan, Copy

পেপার :

  • Maximum Printing Resolution: 4800 (horizontal)*1 x 600 (vertical) dpi,
  • Paper Size: A4, A5, B5, LTR, LGL, 4 x 6", 5 x 7", Envelopes (DL, COM10), Custom size (width 101.6mm - 215.9mm, length 152.4mm - 676mm)
  • Paper Handling: Plain Paper: A4, A5, B5, LTR=60, LGL=10, Photo Paper: Plus Glossy II (PP-201)       4 x 6"=20, Glossy Photo Paper "Everyday Use" (GP-601)      4 x 6"=20

প্রিন্ট স্পীড:

  • Print Speed: Document: Color ESAT/Simplex approx. 4.0ipm, Document: B/W ESAT/Simplex approx. 8.0ipm

ইন্ক:

  • Printing up to 400 pages of A4 documents with the PG-47 ink cartridge The CL-57 ink cartridge prints up to 300 pages.

অন্যান্য:

  • Scanner type Flatbed
  • Scan file format JPEG, TIFF, PDF, BMP, PNG
  • Scan resolution, optical Up to 1200 dpi
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 7500BDT.

Canon E610 INK Efficient Inkjet All in One Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print, Scan, Copy, Fax

পেপার :

  • Paper Size A4, A5, B5, LTR, LGL, 4 x 6", 5 x 7", 8 x 10", Envelopes (DL, COM10)
  • Maximum Printing Resolution: 4800 (horizontal)*1 x 1200 (vertical) dpi
  • Borderless Printing: Top / Bottom / Right / Left margin: each 0 mm  (Supported Paper Size: A4, LTR, 4 x 6", 5 x 7", 8 x 10")
  • Bordered Printing: Top margin: 3mm, Bottom margin: 5mm, Left / Right margin: each 3.4mm (LTR, LGL: Left: 6.4mm, Right: 6.3mm)

প্রিন্ট স্পীড:

  • ISO standard print speed (A4): up to 8.9ipm mono / 5.2ipm colour Prints a 4 x 6" borderless photo in 46secs.

ডিউটি সাইকেল:

  • Duty cycle (monthly, A4)Up to 3000 pages

ইন্ক:

  • Cartridge 88Bk, 98CL, 800 pages with just one low-cost, high-capacity ink cartridge.

অন্যান্য:

  • Scanner Type Flatbed & ADF
  • Scanning Method    CIS (Contact Image Sensor)
  • Optical Resolution 1200 x 2400dpi
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 12500BDT.

EPSON L110 Built in CISS Inkjet Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print Only

পেপার সাইজ:

  • Media Type plain paper,  photo paper
  • Max Media Size (Custom) 8.5 in x 43.7 in
  • Media Sizes A4 (8.25 in x 11.7 in)
  • Envelope Sizes International DL (4.33 in x 8.66 in)
  • Total Media Capacity 50 sheets
  • Media Feeder(s) 1 x autoload - 50 sheets - Legal (8.5 in x 14 in)
  • Output Trays Capacity 30 sheets

প্রিন্ট স্পীড:

  • Print Speed Up to 27 ppm - black draft
  • Up to 15 ppm - color draft
  • Up to 6 ppm - B/W (ISO/IEC 24734)
  • Up to 3 ppm - color (ISO/IEC 24734)

ইন্ক:

  • Black per page cost: 0.15TK, Color per page cost: 0.25TK
  • Ink Tank System, 4-ink - cyan, magenta, yellow, black
  • Consumables Included 1 x ink refill ( black ) - 70 ml - up to 4000 pages
  • 1 x ink refill ( cyan ) - 70 ml - up to 6500 pages
  • 1 x ink refill ( magenta ) - 70 ml - up to 6500 pages
  • 1 x ink refill ( yellow ) - 70 ml - up to 6500 pages
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 11500BDT.

EPSON L800 Bulit in CISS Inkjet All in One Printer

প্রিন্টার টাইপ:

  • InkJet & Print, Scan, Copy

পেপার:

  • Media Type matte paper
  • Max Media Size (Custom) 8.5 in x 43.7 in
  • Media Sizes 7.87 in x 9.84 in
  • Envelope Sizes International C6 (4.5 in x 6.38 in)
  • Total Media Capacity 120 sheets
  • Media Feeder(s) 1 x autoload - 120 sheets - Legal (8.5 in x 14 in)
  • 1 x manual load - 1 disks
  • Output Trays Capacity 50 sheets
  • Max Resolution ( B&W ) 5760 x 1440 dpi
  • Max Resolution ( Color ) 5760 x 1440 dpi

প্রিন্ট স্পীড:

  • Print Speed Up to 37 ppm - black draft
  • Up to 38 ppm - color draft
  • Up to 5 ppm - B/W (ISO/IEC 24734)
  • Up to 5.1 ppm - color (ISO/IEC 24734)

ইন্ক:

  • Black per page cost: 0.15TK, Color per page cost: 0.25TK
  • Ink Tank System:
  • 6 individual ink cartridges/Tank
  • Black, Cyan, Light Cyan, Magenta, Light Magenta and Yellow

অন্যান্য:

  • Copy Speed
  • Black up to 38 cpm2
  • Color up to 38 cpm2
  • Scanner Type
  • Color flatbed (CIS line sensor)
  • Optical Resolution
  • 4800 dpi
  • Maximum Resolution
  • 9600 x 9600 dpi interpolated
  • ওয়ারেন্টি: 1 Year Warranty.
  • বাজার দর: 24500BDT.
বি: দ্র: বাজার দর সর্বদাই পরিবর্তনশীল।
Read more ...

ল্যাপটপ কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই ভেবে দেখা উচিত

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ২:২৮ PM | |

lots o laptopsপ্রযুক্তির এই সময়ে অনেক রকমের ডিভাইসের মাঝে অন্যতম একটি খুবই প্রয়োজনীয় ডিভাইস হচ্ছে ‘ল্যাপটপ’। প্রয়োজনের তাগিদে প্রযুক্তি পন্যগুলো আস্তে আস্তে যেন ছোট হয়ে আসছে। চিপ, মাইক্রো চিপ, ন্যানো চিপ – যেন চলছে প্রযুক্তিকে সাধারন দৃষ্টি সীমার বাইরে নেবার। এরকম চেষ্টা চলছিল বলেই হয়ত আজকে আমি আমার ল্যাপটপটি দিয়ে লিখে যেতে পারছি।
এসপ্তাহেই আমি দু’টি ল্যাপটপ কিনেছি। না, কোনটিই আমার জন্যে নয়। আমার ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল ‘সাজেশন দাতা’ হিসেবেই। এই দুটি ল্যাপটপ কেনার পর বা সঠিক ভাবে বললে সাজেস্ট করার পর মনে হল যে এই প্রসঙ্গে একটি সচেতনতা মূলক ব্লগ পোষ্ট লিখলে সবার না হোক, অন্তত দু’এক জনের উপকারেতো আসবেই। সবাইতো আর টেক গিক নয়, অবশ্য ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে টেক গিক হবার প্রয়োজনও কই? যাই হোক, এজন্যেই আজকের এই ব্লগ পোষ্টটি লিখতে বসা। চলুন, দেখা যাক আপনাদের উপকারে আসতে পারি কি না।
আকারে তুলনামূলক ভাবে ছোট, ওজনে কম এবং সহজে বহনশীল – এভাবেই হয়ত ল্যাপটপকে করা যায় সংজ্ঞায়িত। বেশির ভাগ মানুষেরই তাদের কম্পিউটারের হাতেখড়ি শুরু হয়ে থাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে এবং পরবর্তী সময়ে সময় এবং প্রয়োজনের তাগিদে তারা ল্যাপটপ কিনে থাকেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে যারা কিছুটা হলেও জানেন তাদের জন্য আসলে ল্যাপটপ কেনাটা খুব সহজই হয়ে যায়, কেননা মূল দিক গুলোতে থাকেনা কোন প্রকারের পার্থক্য। তবে অনেক ডেস্কটপ ব্যবহারকারী রয়েছেন যাদের কম্পিউটারের জ্ঞান অনেকটাই মাইক্রোসফট অফিস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হয় ল্যাপটপ কিনতে গেলে কেননা তারা কষ্ট বা অনেক সময় সনাতন ভয়ের কারনে মাইক্রোসফট অফিসের গন্ডি থেকে না বেরিয়ে কখনোই হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেননি। যাই হোক, আপনি যদি এমন হয়ে থাকেন তবে আপনি আশা করছি সঠিক পোষ্টটিই পড়ছেন। পড়তে থাকুন, কাজে লাগবেই।
এখন আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুরু করছি যে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো একটি ল্যাপটপ কেনার আগে মাথায় রাখা উচিৎঃ
প্রয়োজন এবং সাধ্যঃ আপনাকে প্রথমে আপনার নিজের প্রয়োজনটাকে এবং আপনার সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে হবে। আপনার সাধ্য এবং প্রয়োজনের মাত্রার উপরেই আসলে নির্ভর করে আপনার কোন ধরনের কনফিগারেশনের ল্যাপটপ প্রয়োজন। বাজারেতো অনেক ধরনেরই ল্যাপটপ পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের কনফিগারেশনের সেই ল্যাপটপগুলোর দামও হয় ভিন্ন ভিন্ন, তাই আপনার চাহিদা বুঝেই প্রথম সিদ্ধান্তে আসা উচিৎ আপনার। সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাড়িতে বসেই হাই গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তার জন্য আপনার ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে এলিয়েনওয়্যার কেনারতো কোন প্রয়োজন নেই। কেননা, ঐ দামে আপনি ডেস্কটপ কম্পিউটার কনফিগার করলে এরচেয়েও ভালো পারফর্মেন্স পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধরছি, আপনার ল্যাপটপই লাগবে। আপনি সেই ল্যাপটপটি দিয়ে কি করতে চান? গান অথবা মুভি দেখবেন? মাইক্রোসফট অফিসে ভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করবেন নাকি অফিসের কাজ? হালকা-পাতলা গেম খেলবেন? – এই সবগুলো কাজই যদি হয়ে থাকে আপনার মূল বা স্বাভাবিক কাজ তবে এর জন্য খুব ভালো কনফিগারেশনের একটি ল্যাপটপ দরকার নেই। সেলেরন প্রসেসর বা ডুয়াল কোর প্রসেসরের একটি ল্যাপটপই আপনার এই চাহিদা গুলো পূরন করে দেবে খুব সহজেই। হয়তোবা সেলেরন আর ডুয়াল প্রসেসর আপনাকে ‘উচ্চ মানে গেম’ খেলতে সাহায্য করবেন না তবে আগেই আমি উল্লেখ করেছি ‘হালকা-পাতলা গেম’-এর কথা। আপনি যদি কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ ল্যাপটপ দিয়ে করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ল্যাপটপের বাজেট বাড়াতে হবে। ধরুন, আপনি ভিডিও এডিট করতে চাচ্ছেন মোটামুটি প্রফেশনালি, তবে আপনার ল্যাপটপের র্যা ম বেশি হতে হবে। সাথে প্রসেসরটিও হতে হবে কিছুটা উন্নত মানের, লাগবে ভালো মানের গ্রাফিক্স সাপোর্ট। আর আপনি যদি ভালো ভালো গেম খেলতে চান হাই-পারফরমেন্সে তবেতো কথাই নেই, আপনাকে সোজাসুজি চলে যেতে হবে গেমিং সিরিজের ল্যাপটপের লাইনে। আবার আপনি স্লিম ল্যাপটপ চান কিনা – এটাও এযুগে ভেবে দেখবার মত একটি বিষয়।
আসলে ‘প্রয়োজন বুঝে’ কেনাটাই ল্যাপটপ কেনার আগে খেয়াল করার মত বিষয়গুলোর সবচাইতে বড় একটি দিক। এখন আমি ভেঙ্গে ভেঙ্গে ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট গুলো কি রকম বেছে নেয়া উচিৎ বলতে চেষ্টা করবো, কারও দ্বিমত থাকতেই পারে আমার মতামতের সাথে; সেক্ষেত্রে, আমি দুঃখিত।
প্রোসেসরঃ ডেস্কটপ কম্পিউটারের কথা বলি আর ল্যাপটপ, ‘প্রোসেসর’ হচ্ছে এই দুটি ডিভাইসেরই মূল অংশ। ‘প্রসেসর’, যার কাজ সহজে বললে বলতে হয় ‘প্রোসেস করা’। আপনার কম্পিউটারটির মাঝে প্রতিটি সেকন্ডে আপনার এবং মেশিনের, দুজনের ইন্সট্রাকশনই প্রসেস করে থাকে। এখন প্রসেসরের শক্তির রকম ভেদ করা হয় প্রতিসেকেন্ডে বা একটি একক সময়ে এর প্রসেস করার ক্ষমতার উপর। বর্তমান সময়ে এ.এম.ডি এবং ইন্টেলের প্রসেসরের ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্র্যান্ডের দৌড়ে এখন পর্যন্ত ‘ইন্টেলের’ প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপই বাজারে বেশি দেখা যায়। ল্যাপটপ কেনার আগে প্রসেসরের ‘জেনারেশন’ এবং এর ‘ক্লক-স্পিড’ খেয়াল করে কেনা উচিৎ। ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ থেকেই মোটামুটি বেসিক তথ্য আন্দাজ করে নেয়া সম্ভব। যেমন, ৩য় প্রজন্মের প্রসেসর একটি ল্যাপটপ নিশ্চয়ই একই সিরিজের ৪র্থ প্রজন্মের প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে হারাতে পারবেনা। উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাজারে আসা সর্বশেষ জেনারেশেনের প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপ গুলো কিছুটা দামী হয়ে থাকে, সেই সাথে এদের কার্যক্ষমতাও। ডেস্কটপের মত ল্যাপটপে প্রসেসর আপগ্রেড করা যায়না। যদিও, আপনি আপনার একই সিরিজের একই মডেলের মাদারবোর্ড এর সকেট সমর্থিত প্রসেসর আপগ্রেড করতে পারেন তবে এটা খুবই ঝামেলার একটি প্রোসেস এবং অভিজ্ঞ ব্যাক্তির সহায়তা ছাড়া একাজটি একদমই করা উচিৎ হবেনা। তাই, চেষ্টা করা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার সময়েই ভালো মানের প্রসেসর যুক্ত একটি ল্যাপটপ কেনা।
র‍্যামঃ আপনার ল্যাপটপের র‍্যামের মেমরী যত বেশি হবে আপনার ল্যাপটপটি তত দ্রুত লাগবে আপনার কাছেই। স্বাভাবিক ভাবে ২ গিগাবাইট এবং ৪ গিগাবাইট র‍্যাম মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপ বাজারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে তবে এটি সহজেই আপনি পরবর্তী সময়ে যোগ করতে পারবেন। এছাড়াও মেমরী টাইপ এবং এর বাস স্পিড এর দিকে খেয়াল রাখবেন। বর্তমান বাজারে DDR3 মানের মেমরী টাইপের ল্যাপটপ ছাড়া আপাতত চোখে পড়েনি আমার। আপনি যত মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপই কিনতে চান খেয়াল রাখবেন ল্যাপটপটি সর্বোচ্চ কত পরিমানের র‍্যাম সাপোর্ট করে থাকে যেন পরবর্তীসময়ে ইচ্ছেমত আপনি র‍্যাম লাগিয়ে নিতে পারেন।
জি.পি.ইউঃ ‘গ্রাফিক্স প্রোসেসিং ইউনিট’ একটি গুরুত্ব পূর্ন কম্পোনেন্ট। সাধারন ভাবে ল্যাপটপের মূল চিপে বিল্ট ইন গ্রাফিক্স হিসেবে ইন্টেল এইচডি ৩০০০/৪০০০ দেয়াই থাকে তবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আপনি গ্রাফিক্স ছাড়া একটি ল্যাপটপ কেনার পর পরবর্তী সময়ে আপাতত আপনি গ্রাফিক্স কার্ড যোগ করতে পারবেন না। তাই, চেষ্টা করুন ‘গ্রাফিক্স কার্ড’ সম্বলিত একটি ল্যাপটপ কেনার। বর্তমান বাজারে ১ গিগাবাইট ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড বিশিষ্ট ল্যাপটপ ৩৮-৪০ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে।
ডিসপ্লে / মনিটরঃ এটিও আসলে আপনার চাহিদার সাথেই সম্পর্কিত। কাজ করা জন্য স্বাভাবিক ভাবে ১৪” স্ক্রিনের ল্যাপটপ গুলো বেশি জনপ্রিয়। তবে, আপনি আপনার কাজের ধারা অনুযায়ী মনিটর কিনতে চেষ্টা করুন। বর্তমান বাজারে মনিটর এর মাপ যাই হোক না কেন এলসিডি মনিটরগুলোই জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে। অবশ্য আমার এই জরিপ ব্যাক্তিগত এবং টাকা এই জরিপে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে চোখের জন্য ‘এলইডি’ মনিটরই ভালো হবে।
হার্ড ডিস্কঃ সাধারণত ২৫০ গিগাবাইট, ৩২০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ৭৫০ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইটযুক্ত ল্যাপটপ গুলোই বাজারে বেশি পাওয়া যায়। তবে, আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার হার্ড ডিস্ক আপগ্রেড করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে প্রথমেই খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। তবে হার্ডিডিস্কের আরপিএম চেক করে ল্যাপটপ কিনতে ভুলবেন না।
ব্যাটারীঃ ল্যাপটপ কেনার সময় এর ব্যাটারী ব্যাক আপ সম্পর্কে অবগত হন। ল্যাপটপ যখন খুশি যেখানে ইচ্ছা আপনি ব্যবহার করতে পারছেন সেটাতো এই ল্যাপটপের কারনেই। বাজারে ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ৪ সেল এবং ৬ সেলের ব্যাটারী পাওয়া যায়।
অন্যান্যঃ আরও কিছু ছোট ছোট বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে। যেমন, ল্যাপটপের ওজন। একটু বাজার ঘুরলেই আপনি বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির তৈরী আল্ট্রা স্লিম ল্যাপটপ দেখতে পারবেন যেগুলো খুবই আকর্ষনিয়। আল্ট্রা বুকের ক্ষেত্রে অবশ্য দাম কিছুটা হলেও বেশি পরবে তবে এতে করে আপনার ল্যাপটপটি দেখতে আকর্ষনিয় হবে এবং এর ওজনও হবে কম। যারা ল্যাপটপ ব্যাক প্যাকে নিয়ে চলাফেরা করি তারা ভালো করেই জানেন যে একটি ভারী ল্যাপটপ বহন করা কতটা ঝামেলার।
ওয়েবক্যামঃ ল্যাপটপের সাথে একটি ওয়েব ক্যামেরা দেয়া থাকে যাতে করে আপনি ভিডিও কল, ভিডিও চ্যাট অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মত জরুরী কাজের পাশাপাশি টুক টাক সেলফিও মাঝে মাঝে তুলতে পারেন। এক্ষেত্রে বর্তমানের ল্যাপটপ গুলোতে ২ মেগাপিক্সেলের ওয়েব ক্যামেরা যুক্ত থাকে এবং ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানিগুলো এগুলোকে এইচডি বলেও দাবি করেন। তাই, ক্যামেরা কেনার সময় লক্ষ্য রাখবেন ওয়েব ক্যামেরার মানের উপর।
সাউন্ডঃ আপনি যদি গান পাগল হয়ে থাকেন অথবা ল্যাপটপ দিয়ে মুভি দেখার কাজটা ভালো ভাবেই চালিয়ে নিতে চান তবে পারলে ল্যাপটপের সাউন্ডের ব্যাপারের সচেতন হন। দামি ল্যাপটপ গুলোতে স্পিকারের পাশাপাশি উফারও দেয়া থাকে এবং সেক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো মানের সাউন্ড পাওয়া যায়। তবে উফার ছাড়া ল্যাপটপ গুলোর সাউন্ডের মান ঠিক ততোটা ভালো হয়না। আমি ডেল এবং এইচপি’র তিনটি ল্যাপটপ পরীক্ষা করে দেখেছি। তিনটির একটিরও সাউন্ড কোয়ালিটি আমার ভালো লাগেনি। অবশ্য, ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ছোট স্পিকার ব্যবহার করতে হয় বলে হয়তো এর সাউন্ড কোয়ালিটি ততটা আশানুরুপ হয়না, এই ব্যাপারটিতে আমি নিশ্চিত নই।
ইউ.এস.বি পোর্টঃ বর্তমানে বাজারে যে সকল ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর সবগুলো পোর্ট অথবা দু’টি পোর্ট সাধারনত ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের হয়ে থাকে। ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের সাহায্যে আপনি কিছুটা দ্রুত ডাটা ট্রানসফার করতে পারবেন।
বডিঃ বিভিন্ন রকমের বডির প্রকারভেদে ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে এখন। মেটাল ফিনিশ, প্লাস্টিক, ম্যাট – এর মাঝে আমার ম্যাট ফিনিশিং এর ল্যাপটপই বেশি পছন্দ। তবে, আপনার পছন্দ নিশ্চয়ই আমার পছন্দ থেকে আলাদা হতেই পারে।
মূলত এই ব্যাপারগুলোর উপর লক্ষ্য রেখেই ল্যাপটপ কিনতে হয়। আপনি বাজারে জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে পারেন এবং কেনার সময় ওয়ারেন্টির কাগজ পত্র দেখে নিন। বাজারে বর্তমানে প্রায় সব ল্যাপটপের সাথেই ৩ বছরের ওয়ারেন্টি থেকে থাকে। ৩ বছরতো আর কম সময় নয়, আর ভালো ব্র্যান্ডের একটি দামি ল্যাপটপও যে নষ্ট হবেনা তা-ও নয়। তাই ভালো করে ওয়ারেন্টি’র কাগজ পত্র গুলো দেখে নিন। আর, ল্যাপটপের ড্রাইভার এর ব্যাক-আপ অথবা ডিস্ক বুঝে নিতেও ভুলবেন না।
ল্যাপটপ কিনতে চাইলে আপনি আইডিবি ভবনের রায়ানস, কম্পিউটার সোর্স, রিশিত কম্পিউটার্স, ড্যাফোডিল কম্পিউটার – দোকানগুলো ঘুরে কিনতে পারেন। আইডিবি ভবনে আরও অনেক দোকানই আছে তবে উল্লেখিত দোকানগুলোতে মোটামুটি বেশি কালেকশন পাওয়া যাবে। আর এদের সার্ভিস সেন্টার গুলো দ্রুত এবং ভালো সেবা প্রদান করে থাকে। আর, এই দোকানগুলোর বেশির ভাগেরই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে শাখা রয়েছে।
ল্যাপটপ কেনার সময় পারলে অভিজ্ঞ কাউকে নিয়ে যাবেন। আপনি যদি ল্যাপটপের বিষয়ে দক্ষ না হয়ে থাকেন তবে এমন কাউকেও নেবেন না যে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না।
আশা করি, আজকের এই ব্লগ পোষ্টটি কিছুটা হলেও আপনাকে গাইড করবে ল্যাপটপ কেনার বিষয়ে। এখন আপনি আপনার সাধ, সাধ্য এবং পছন্দের সমন্বয়ে কিনে ফেলুন একটি ভালো মানের ল্যাপটপ এবং পারলে শেয়ার করে ফেলুন আপনার এক্সপেরিয়েন্স। ভালো থাকবেন।
Read more ...

আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে ল্যাপটপ মেলা

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১:১৯ PM | |
‘সবার জন্য ল্যাপটপ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীতে আবার বসছে ল্যাপটপ মেলা। আগামী ১৫ থেকে ১৭ মে তিনদিনব্যাপি এ মেলা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) অনুষ্ঠিত হবে। এক্সপো মেকার আয়োজিত এবারের মেলায় দেশ ও বিদেশের শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো তাদের সর্বশেষ ও আধুনিক ব্র্যান্ড ও মডেলের পণ্য নিয়ে হাজির হবে।
বিগত ৭ বছর ধরে এক্সপো মেকার আয়োজিত এ ল্যাপটপ মেলা দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইভেন্ট হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। এ মেলা দেশের প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে কাঙ্খিত একটি আয়োজন। এবার ল্যাপটপ মেলার ১৪তম আসর।
আয়োজক এক্সপো মেকারের হেড অব অপারেশন নাহিদ হাসনাইন সিদ্দিকী জানান, “বিগত কয়েক বছরে প্রতিটি ল্যাপটপ মেলা নিয়ে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের যেমন আগ্রহ দেখা গেছে, তেমনি প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণও ছিলো চোখে পড়ার মতো। তিনি আরও জানান, এবারের মেলায় নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তিপ্রেমের বিষয়টি মাথায় রেখে বেশ কিছু বিশেষ আয়োজন থাকছে। দেশের বাজারে আসেনি এমন অনেক পণ্য প্রথমবারের মতো দেখা যাবে এ মেলায়।
নাহিদ জানান, মেলায় এসব পণ্য ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও নিতে পারবেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। এক্সপো মেকার আয়োজিত মেলাগুলো প্রযুক্তিকে সবার কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কয়েক বছর ধরেই। এবারের মেলায় ৩৮টি স্টল ও ১৫টি প্যাভিলিয়নে দেশি-বিদেশি প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।
মেলা উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ছাড় ও উপহার দেবে। দর্শকরা প্রযুক্তির আধুনিক সব ল্যাপটপ, নোটবুক, নেটবুক যাচাই বাছাই করে দেখতে ও কিনতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। প্রদর্শনীর পাশাপাশি মেলার গেইমিং জোনে গেমিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাপটপ এখন দেশের মধ্যবিত্ত জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চলে এসেছে। ভিন্নমুখী সুবিধার কারণে মোবাইল ডিভাইস হিসাবে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
Read more ...

এই গরমে এয়ার কুলার কেনার কথা ভাবছেন ?? কেনার আগে অবশ্যই জেনে নিন বিস্তারিত।

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৯:৪৪ AM | |
আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারনে আমাদের বর্তমান অবস্থা একেবারে নাজেহাল। শীতের দিনে আমাদের যেমন কষ্ট করতে হয় আমার মতে তার চাইতে বেশি কষ্ট করতে হয় এই গরমের দিনে। সারাদিন বাইরে কাজ করে বাড়ি ফিরে যদি একটু স্বস্তিবোধ না করা যায় তবে আসলেই খুব ভালো লাগে না- জীবন হয়ে উঠে যন্ত্রণাময়।আপনার এই অসহ্য যন্ত্রণাকে কিছুটা হলেও দূর করতে পারে এয়ার কুলার । আজকে মুলত আমার লক্ষ থাকবে এই এয়ার কুলার নিয়ে যা কিছু আমি জানি সব আপনাদের সাথে শেয়ার করার।তো, চলুন শুরু করা যাক.........Air cooler Bangladesh

এয়ার কুলার কি ?

এয়ার কুলার হল এমন একটি ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস যার দ্বারা আপনি আপনার ঘরকে একটু হলেও শীতল করতে পারবেন। এটা মুলত ফ্যানের মতই কাজ করবে। ফ্যান মুলত আমাদের রুমের বাতাস এর চলাচলের গতি বৃদ্ধি করে থাকে। ধরুন আপনার ঘরের বাতাস গরম, ফ্যানের সাধ্য নেই সেই বাতাসকে ঠাণ্ডা করার। এক্ষেত্রে এয়ার কুলার আপনার রুমের বাতাসকে ঠাণ্ডা করে প্রবাহিত করবে।

কেন এয়ার কুলার কিনবেন ?

যাদের এসি কেনার সামর্থ্য নেই তারা এই এয়ার কুলার কিনতে পারেন,এটা সহজেই স্থানান্তরযোগ্য- মানে আপনি ঢাকা থেকে বাড়িতে গেলেন ৭ দিনের সফরে,সেখানেও আপনি এয়ার কুলার ব্যাবহার করতে পারবেন। তাছারা এসির চাইতে এই ডিভাইস এর দাম ও অনেক কম। ব্যাবহারে নেই খুব বেশি ঝামেলা।

এয়ার কুলার এর কিছু সুবিধাঃ

  • পরিবেশ বান্ধব ।
  • ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহের ফলে ঘরের তাপমাত্রা কমে যাবে, রুম থাকবে ঠাণ্ডা ।
  • তুলনামুলক কম বিদ্যুৎ খরচে আপনি ভালো সেবা পেতে পারেন। এসির চাইতে ৭০%-৮০% বিদ্যুৎ খরচ কম।
  • ইন্সটল করার ঝামেলা নেই, জাস্ট কেনার পর বাসায় নিবেন এবং ব্যাবহার শুরু করবেন।
  • খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।ম্যানুয়ালি ছাড়াও এখন অনেক এয়ার কুলারে রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। ফলে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
  • ফিল্টার করা ঠাণ্ডা বাতাস পাবেন, যা আপনাকে রাখবে ফুরফুরে।
  • আবার কিছু কিছু এয়ার কুলার রয়েছে জেগুলু আপনাকে গরমে দিবে ঠাণ্ডা বাতাস এবং শীতের দিনে দিবে গরম বাতাস।

 এয়ার কুলার কিভাবে কাজ করে থাকেঃ  

খুব সহজেই বলতে গেলে উপরের দিকে থাকে বরফ দেওয়ার মত একটা জায়গা। এবং নিচের দিকে থাকে পানি দেওয়ার পাত্র। এই দুয়ের ফলেই আমরা ঠাণ্ডা বাতাস পাই এয়ার কুলার থেকে। নিচের দিকে পানিটাকে উপরে বরফের সাথে সংমিশ্রণ করে পাখা দিয়ে মুলত রুমকে ঠাণ্ডা করে থাকে এই  এয়ার কুলার ।

স্পেসিফিকেশনঃ

ইভাপোড়েটিভ এয়ার কুলার এর কিছু কমন স্পেসিফিকেশন নিচে দিলাম, দেখে নিন......
  • ইলেক্ট্রনিক ডিসপ্লে এবং রিমোট কন্ট্রোল থাকবে।
  • শুধু ইনডোরে ব্যাবহার করার জন্য।
  • ৩২০ স্কয়ায় ফিটের রুম হলেও ঠাণ্ডা করার মত সামর্থ্য আছে এই এয়ার কুলারের।
  • কম্প্রেসর ছাড়াও প্রাকৃতিক ভাবেই ঠাণ্ডা করে থাকবে।
  • সহজেই কন্ট্রোল প্যানেল ব্যাবহার করা যাবে।
  • কম বিদ্যুৎ খরচেই ঠাণ্ডা পাবেন।
  • বেশ কয়েক ধরনের স্পীড পাবেন- হাই, লো, মিডিয়াম ইত্যাদি।
  • কিছু কিছু কুলারে আপনি বেশি পরিমানে পানি রাখার মত সুবিধা পাবেন, যেন একটু পর পর পানি পরিবর্তন করতে না হয়।
    যদি আপনি বেশি সময় ধরে এয়ার কুলার ব্যাবহার করতে চান তবে কেনার সময় পানি রাখার জন্য বেশি জায়গা দেখে কিনবেন, ২০ থেকে ৩০ লিটার পানি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলে ভালো হয় ।
  • সহজেই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিতে পারবেন।
  • এয়ার কুলার এর উপরের দিকে বরফ দেওয়ার জন্য জায়গাটা দেখে নিবেন।
সমস্যা ও সমাধানঃ
আপনি একটা  ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যাবহার করবেন আর সেটায় সমস্যা হবে না এমনটি ভাবার সুজুগ নেই। তবে আপনি যদি ভালো মানের এবং ব্র্যান্ডেড কম্পানির একটা এয়ার কুলার কিনতে পারেন তবে আশা করছি ২/৪ বছরেও কিছু হবে না।
তাছারা যদি কোনরূপ সমস্যা দেখা দেয় ওয়ারেন্টি থাকলে তো কথাই নেই,  ওয়ারেন্টি না থাকলে আপনি যারা ফ্রিজ এবং এসির কাজ করে থাকে উনাদের দ্বারা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।

 সাহায্যকারী কিছু চিত্রঃ

কন্ট্রোল প্যানেল এবং রিমোটঃ

কন্ট্রোল প্যানেল এবং রিমোট

বরফ রাখার জায়গাঃ

পানি রাখার জায়গা

পানি রাখার জায়গাঃ

পানি রাখার জায়গা

বাজারে প্রচলিত বেশ কয়েক ধরনের এয়ার কুলার এর চিত্রঃ

6
Read more ...

কম্পিউটার কেনার আগে জেনে নিন

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১:১৫ PM |


কম্পিউটার যে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ যন্ত্র, সেটা না বললেও চলবে। তাই সবারই ইচ্ছা থাকে একটা কম্পিউটার কেনার। কিন্তু একটা ভালো কম্পিউটার কেনার জন্য কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। আমি আজকে আপনাদের সেইরকম কিছু বিষয়ই জানাবো। কম্পিউটারের ব্যাপারে একেবারেই নতুন, এমন মানুষদের কথা মাথায় রেখেই পোস্টটা সহজ কথায় লেখার চেষ্টা করলাম।
কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:
Read more ...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

অনুসন্ধান

Blogger দ্বারা পরিচালিত.