সম্পর্ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সম্পর্ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রস্তাব টাঙ্গাইল ডিসি’র

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৩:০৩ PM |

কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশপাশি এবার কর্মজীবী পিতাও ১৫ দিনের ছুটি পেতে পারেন। জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে এমন সুপারিশ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০১৪ উপলক্ষে মূদ্রিত বইতে সরকারের পক্ষে সংশ্লিষ্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সুপারিশ করে। জেলা প্রশাসকদের পাঠানো প্রস্তাব থেকে মন্ত্রণালয় ভিত্তিক ১৪১টি প্রস্তাব আমলে নেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে কর্মজীবী পিতার মা ও শিশুর সুষ্ঠু পরিচর্যার জন্য ছুটির প্রস্তাবও করা হয়। ডিসি সম্মেলনের সমাপনী দিন আগামী বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সিদ্ধান্ত হবে। পিতৃত্বকালীন ১৫ দিন ছুটির বিষয়টি সিদ্ধান্তে আসলে তা মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করে চূড়ান্ত করার দিকে যেতে হবে সরকারকে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়, কর্মজীবী নারীদের জন্য ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি কার্যকর হয়েছে। মাতৃত্বকলীন মা ও নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যার জন্য পিতার সময় দেওয়া জরুরি। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ডিসি সম্মেলনের প্রস্তাব ও সুপারিশ সম্বলিত মূদ্রিত সুপারিশে বলা হয়, মা ও শিশুর সুষ্ঠু পরিচর্যার জন্য কর্মজীবী পিতার জন্য ১৫ দিন পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান করা যেতে পারে।
Read more ...

দজ্জাল বউয়ের কবল থেকে বাঁচতে হেল্পলাইনে পুরুষদের আর্তি!

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১০:০৮ AM | |
বাড়িতে টিকতে দেয় না! বউ কথায় কথায় চড়-থাপ্পড় লাগায়। প্লিজ, বাঁচান! কতদিন ভালো করে খাইনি। বউই সব খেয়ে নেয়। আপত্তি করলে বলে ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে!
পুরুষকুলের আর্তিতে এখন বেজায় ফাঁপড়ে পড়েছেন মহিলা হেল্পলাইনের কর্মীরা। যত না মেয়েরা ফোন করছে, তার চেয়ে বেশি ফোন আসছে পুরুষদের! ছ'দিনেই যদি এই দশা হয়, তা হলে কী করে এই হেল্পলাইন চলবে, তা ভেবে দিশেহারা তারা।
ঘটনাস্থল ভারতের মধ্যপ্রদেশ। মহিলাদের যেকোনো ধরনের সমস্যা, যেমন শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচার, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ইত্যাদি ঘটলে ফোন করতে পারেন নির্দিষ্ট হেল্পলাইনে।

এই ঘটনাটি ভারতে ঘটলেও আমাদের দেশেও এ ধরণের ঘটনা একেবারেই কম নয়। 
আইনের অপব্যবহার করে নারীরা প্রতি নিয়ত একের পর এক অন্যায় করেও রেহাই পাচ্ছে।
তাই আমার মনে হয় যত দ্রুত সম্ভব আইন সংশোধন করে এ ধরণের অন্যায় ঠ্যাকানো সম্ভব।
Read more ...

বিয়ের আগে অবশ্যই জেনে নিন হবু বর বা কণের ব্লাড গ্রুপ! কিন্তু কেন?

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৯:২১ AM | |
অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাকেই দেখা যায় পরস্পরের ব্লাড গ্রুপ নিয়ে চিন্তিত হতে। বেশিরবাগ মানুষেরই ধারণা বর ও কণের ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে হতে পারে নানান রকম সমস্যা? আসলেই কি তাই? না, ধারণাটি একদম ভুল। ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা নেই। তবে বিয়ের আগে বর ও কণের ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। কেন এটা এত জরুরী? আসুন, জেনে ও বুঝে নেই সেই বিষয়টি। জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্যঃ স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে? কেন টেস্ট করাবেন? যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার? যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। কিন্তু স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীকেও পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের একজন হতে হবে। কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। অর্থাৎ একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের নারী কেবলই একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষকে বিয়ে করাই নিরাপদ। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে? রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভিন্ন ব্লাড গ্রুপে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সন্তান জন্মের সময়ে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন), তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে। এবং সমস্যা হবে দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয় তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেদ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সাথে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে। অর্থাৎ শিশুটি মারা যাবে। অর্থাৎ পজিটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষ নেগেটিভ গ্রুপের মহিলাকে বিয়ে করলে তাঁদের একটিই সন্তান থাকার সম্ভাবনা বেশি। কোন কারণে প্রথম সন্তানটি জন্ম না নিলে পরবর্তীতে তারা নিঃসন্তান থেকে যাবার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।
Read more ...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

অনুসন্ধান

Blogger দ্বারা পরিচালিত.