আমাদের খাদ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমাদের খাদ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

এই গরমে যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১১:০৮ AM | | |

গরমেকালে খাবার একটু বুঝে শুনে খেতে হয়। কারণ অনেক খাবারই রয়েছে এমন অনেক উপাদান যা গরমটি আরও বাড়িয়ে তোলে। একে তো প্রচণ্ড গরম তার ওপরে খাবার খাওয়ার পরের গরম সব মিলিয়ে দেহের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে যায়। দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমাদের অসুস্থ হয়ে পরার সম্ভাবনা বাড়ে। অনেক সময় হিট স্ট্রোকের কারণ হয়েও দাড়াতে পারে এই ধরণের কাজ। তাই আমাদের সতর্কতার সাথে যে খাবারগুলো গরমে খাওয়া একেবারেই উচিৎ নয় সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কোন কোন খাবার আপনি গরমে পারতপক্ষে খাবেন না এবং যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলবেন।
 গরুর মাংস

এই গরমে গরুর মাংস থেকে যতোটা দূরে থাকবেন আপনার জন্য ততোটাই মঙ্গল। গরুর মাংস আমাদের দেহে অনেক বেশি তাপমাত্রা উৎপাদন করে। এছাড়া কলেস্টোরল বৃদ্ধি উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা তো রয়েছেই। গরুর মাংস বেশি ঘাম তৈরি করে। এতে করে দেহে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তখন শরীর অসুস্থ হয়ে পরে। এই গরমে শাক সবজি বেশি খাওয়াই ভালো। এতে দেহ থাকবে সুস্থ।
অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার
মশলা সমৃদ্ধ খাবার আমরা অনেকেই মজা করে খেয়ে থাকি। স্বাদ বাড়াতে আমরা রান্নায় অনেক মশলা ব্যবহার করি। কিন্তু গরমকালে এই কাজটি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মশলা আমাদের দেহে তাপমাত্রা উৎপাদন করে। এতে করে আমাদের দেহের তাপমাত্রা অনেক বাড়িয়ে তোলে। এতে করে আমাদের হজমের সমস্যাও দেখা দেয়। তাই এই গরমে আমাদের উচিৎ যতোটা সম্ভব কম মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া।
ফাস্ট ফুড
তেল এবং ভাজাভাজি জাতীয় খাবার এই গরমে অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবারে অনেক বেশি তেল থাকে। গরমের সময় তেল খেলে আরও গরম লাগে। আবার অনেক ফাস্ট ফুড রয়েছে যেগুলো আমাদের দেহের পানি শুষে নেয়। ফলে এই গরমের মধ্যে আমরা পানিশূন্য হয়ে পড়ি। এতে করে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সুতরাং তৈলাক্ত এবং ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার এই গরমে না খাওয়াই ভালো।
অতিরিক্ত চা এবং কফি

শীতকালে আমরা অনেক চা বা কফি পান করে থাকি। কারণ এটি আমাদের দেহকে উষ্ণতা প্রদান করে। তাহলে গরমকালেও তো চা বা কফি আমাদের দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধিই করবে। সকালে বা বিকালে এক কাপ চা বা কফি না হলে অনেকের চলে না। কিন্তু এর বাইরে চা বা কফি পান করা গরমকালে শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। চা বা কফির ক্যাফেইন দেহকে ডিহাইড্রেট করে ফেলে। এতেও আমরা অতিরিক্ত গরমে অসুস্থবোধ করি।
Read more ...

নকল/রাসায়নিক ডিম এখন বাংলাদেশে

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ২:০৬ PM | | |
মুরগী ছাড়া ডিম! ভাবছেন এতা কি করে সম্ভব? হা সম্ভব, চীনের ক্ষতিকারক রাসায়নিক ডিম এখন বাংলাদেশের বাজারে সয়লাব করেছে। অতএব ডিম কেনার আগে ভাল করে যাচাই করে কিনুন।

চীনের অত্যন্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক ডিম এখন আমাদের বাংলাদেশে।বেশ বহুদিন আগে আমি নিজে ডিম ভাজতে গিয়ে দেখি আশ্চর্য ভাবে ডিমটি পুরোপুরি শক্ত হয়ে আটকে গেল ঠিক প্লাস্টিক এর মত।এটা খেতেও ভিন্ন রকম ছিলো। তখনতো আর জানতে পারিনি যে এই অত্যন্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক ডিম কৃত্তিমভাবে তৈরি।
ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাদের অন্তত সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন। অনেকে এটাকে মিথ্যাবলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস-মুরগির ডিমের মতো। ‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসুম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছাঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু।

আসল ডিম থেকে নকল ডিম আলাদা করার উপায়ঃ

- কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়।
- এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
-কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ।
ইন্টারনেট-এর বিভিন্ন সাইট থেকে আরো জানা যায়চীনে তৈরী হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
Read more ...

দেখতে এক হইলেই কি জিনিষ এক !!!

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৬:৪৩ PM | |

কাঁঠাল Jackfruit আমরা সবাই চিনি এবং খাই।
ডুরিয়ান Durian fruit দেখতে কাঁঠালের মতোই কিন্তু কড়া এবং উৎকট গন্ধযুক্ত থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিংগাপুরে পাওয়া যায় একটি ফল।


ধনিয়া পাতা- Coriander leaves আমরা সবাই চিনি।
Celery - বলা যায় উন্নত স্বাস্হ্যের আধিকারী বড় সড় শক্ত ধনিয়া গাছ।
Celery পাতার স্বাদ,গন্ধ কোনটাই আমাদের ধনিয়া পাতার সাথে মিল নাই, আমার যা মনে হয়। দুইটাই কন্তু Apiaceae ফ্যামিলিভুক্ত।


বাঁধাকপি- Cabbage আমরা সবাই চিনি।
Brussels sprout ব্রোসেলস্ স্প্রাউট একে বলা যায় বাঁধাকপির বামন বা খর্বাকার copy!
বাঁধাকপি যদি হয় “ফুটবল” তাহলে Brussels sprout হবে “টেবিল-টেনিস বল”। খেতে দুইটার স্বাদ মোটামুটি কাছাকাছি। দুইটার Species কিন্তু এক Brassica olerace


সবুজ কুমড়া বা pumpkin আমরা সবাই চিনি।
Zucchini সুকিনি বা courgette মোটামুটি সবুজ কুমড়ার মতো হলের আকৃতি দুইটার ভিন্ন, একটা দেখতে গোল একটা লম্বা। স্বাদের দিক থেকে Zucchini সুকিনি বা courgette মনে হয় বেশী ভালো।


সাডিন মাছ দেখতে ইলিশের মতো মনে হলেও স্বাদে গন্ধে ইলিশের ধারে কাছেও নাই।


পরিচিত কিছু সবজির লাল এডিশন এবং লিমিটেড এডিশন।














ছবি Google
Read more ...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

অনুসন্ধান

Blogger দ্বারা পরিচালিত.