ভালোবাসা যখন গবেষণাগারে কী ধরনের ভালোবাসার অভিজ্ঞতা হবে, তা বড় কথা নয়, ভালোবাসা না থাকার চেয়ে ভালোবাসা থাকা ভালো, তা বড় হিতকরী। এর মূলে রয়েছে রসায়নের খেলা: শরীরের ওপর এর হিতকরী প্রভাব কম নয়। অনুরাগ ও আসক্তি মগজের রসায়নের মূলে নিহিত। তেমন একটি রাসায়নিক হলো এনডোর্ফিন। ১৯৭৫ সালে প্রথম আবিষ্কৃত এই রাসায়নিকটি দেহ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করে, ব্যথা উপশম করে, চাপ প্রশমিত করে, বার্ধক্যের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এনডোর্ফিন হর্ষোৎফুল্ল করে আমাদের। ব্যায়াম ও শরীরচর্চা আরও উদ্দীপিত করে এনডোর্ফিন নিঃসরণ। এমনকি দূরপাল্লার দৌড়ে এনডোর্ফিনের জন্য ব্যথা ও অবসন্নতা বোধ ঘটে না, বরং দৌড়ের শেষে নিজেকে মনে হয় নমনীয় ও শক্তিমান। যখন ভালোবাসা ও এনডোর্ফিন নিঃসরণ উদ্দীপ্ত করে ভালোবাসার উষ্ণ যন্ত্রণা বরং শক্তি দেয় মানুষকে। এনডোর্ফিন তীব্রতর হয়; আরও রাসায়নিক ক্রমে চড়া হয়ে ওঠে, আসে আমোদ উৎপাদক হরমোন রাসায়নিক ‘ডোপামিন’ ও নরইপিনেফ্রিন, এই নিউরোট্রান্সমিটারটি ইতিবাচক প্রণোদনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই ‘রোমাঞ্চকর ধেয়ে আসা’ কারও জন্য হয় হিতকরী, কাউকে করে বড় উদ্দীপ্ত; কেউ কেউ ভালোবাসাতে হয় আসক্ত। সিক্রেটস অব দ্য সুপার ইয়ং বইটি লিখে খ্যাত নিউরোসাইকোলজিস্ট ডেভিড উইকস বলেন, জীবনসঙ্গী যাঁরা ঘন-ভালোবাসা করেন প্রায়শ; তাঁদের আয়ু বেশ বাড়ে। কেবল ঘনিষ্ঠ ভালোবাসা নয়, দৈহিক সংস্পর্শ, নিঃসৃত করে এনডোর্ফিন; যেমন, হরমোন অক্সিটোসিনও। মানুষের মধ্যে বন্ধন স্থাপনে অক্সিটোসিনের ভূমিকা অনন্য। এই দুটো রাসায়নিক প্রাকৃতিক আফিমের মতো কাজ করে; নেশা ধরায় মনে, আসক্তি টানে, সুস্থিত করে রোমান্টিক সম্পর্ক—বলেন ডা. মাইকেল ওডেন্ট। অন্তরঙ্গ স্পর্শ, যেমন, হাতে হাত ধরা, হাত ধরে হাঁটা, প্রেমিকের গালে টোকা দেওয়া—এমন আন্তরিক ভালোবাসা শরীরে রোগ প্রতিরোধ অ্যান্টিবডি বাড়ায়; গ্রোথ হরমোনকে প্রণোদিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতাল-নার্সারিতে অপরিণত শিশুদের নার্সরা বুকে ধরে গালে টোকা দিলে গ্রোথ হরমোন নিঃসরণ বাড়ে—এই ফলাফল অনেক হাসপাতালকে ‘স্পর্শ করা চর্চা’ চালু করতে উৎসাহিত করেছে, যাতে নিওন্যাটাল নার্সারিতে শিশুরা বেড়ে ওঠে সহজে। বিখ্যাত হূদেরাগ বিজ্ঞানী ডিন অরনিশ লিখেছেন, আমাদের অসুস্থ হওয়া ও ভালো থাকা, আমাদের বিষণ্ন হওয়া, আমাদের সুখী হওয়া—এসব কিছুর মূলে রয়েছে ভালোবাসা ও অন্তরঙ্গতা, আমাদের রোগভোগ ও নিরাময় এসবের মূলেও রয়েছে এই দুটো জিনিস। রোগীর হূদ্যন্ত্র ও রক্তনালির স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্য, ধূমপান, বংশগতি ও ব্যায়ামের যেমন প্রভাব, ভালোবাসারও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব। ক্যালিফোর্নিয়ার ইনস্টিটিউট অব হার্টম্যাথের গবেষকেরা ইদানীং দেখেছেন, মগজের মতো হূদ্যন্ত্রও ইমোশনের মুখোমুখি হলে উৎপন্ন করে হরমোন। ভালোবাসা, প্রেমের প্রভাবে খুব ছন্দময়, সংগতিপূর্ণ হূৎস্পন্দন ঘটে, অথচ নেতিবাচক ইমোশন জন্ম দেয় এলোমেলো স্পন্দন। জীবনসঙ্গীদের মধ্যে প্রেমঘন ভালোবাসা অনেক রোগ প্রতিরোধ করে, দীর্ঘায়ু করে দম্পতিকে। যাঁদের মা-বাবার সঙ্গে মধুর সম্পর্ক, তাঁদের হূদেরাগ হয় অনেক কম। দার্শনিক ব্যাখ্যা বাদ দিলেও এর একটি প্রায়োগিক ব্যাখ্যাও আছে। একা জীবনযাপনে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁদের চেয়ে অনেক সুবিধায় থাকেন দম্পতিরা। যেমন, বিবাহিত পুরুষের কথা যদি বলি—স্ত্রীরা সুষম আহার পরিকল্পনা করেন, অনেকে রান্না করেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে স্বামীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং জোরও খাটান। বিবাহিত জীবন যেমন—প্রেমঘন, তেমনি নিরাপদ ও রুচিশীলও বটে। মূলকথা যা শাশ্বত; ভালোবাসার শক্তি স্বাস্থ্যকুশল বাড়ায়। ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে এমন সংকল্প হোক সবার, ‘ভালোবাসি, ভালোবাসি, এই সুরে, কাছে দূরে জলে স্থলে সর্বত্র।’
প্রেম-ভালবাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রেম-ভালবাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Home » Posts filed under প্রেম-ভালবাসা
প্রেম -ভালোবাসা কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে আপনি জানেন কি ?
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১:৫৩ PM | প্রেম-ভালবাসা | স্বাস্থ্য -চিকিতস্যাভালোবাসা যখন গবেষণাগারে কী ধরনের ভালোবাসার অভিজ্ঞতা হবে, তা বড় কথা নয়, ভালোবাসা না থাকার চেয়ে ভালোবাসা থাকা ভালো, তা বড় হিতকরী। এর মূলে রয়েছে রসায়নের খেলা: শরীরের ওপর এর হিতকরী প্রভাব কম নয়। অনুরাগ ও আসক্তি মগজের রসায়নের মূলে নিহিত। তেমন একটি রাসায়নিক হলো এনডোর্ফিন। ১৯৭৫ সালে প্রথম আবিষ্কৃত এই রাসায়নিকটি দেহ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করে, ব্যথা উপশম করে, চাপ প্রশমিত করে, বার্ধক্যের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এনডোর্ফিন হর্ষোৎফুল্ল করে আমাদের। ব্যায়াম ও শরীরচর্চা আরও উদ্দীপিত করে এনডোর্ফিন নিঃসরণ। এমনকি দূরপাল্লার দৌড়ে এনডোর্ফিনের জন্য ব্যথা ও অবসন্নতা বোধ ঘটে না, বরং দৌড়ের শেষে নিজেকে মনে হয় নমনীয় ও শক্তিমান। যখন ভালোবাসা ও এনডোর্ফিন নিঃসরণ উদ্দীপ্ত করে ভালোবাসার উষ্ণ যন্ত্রণা বরং শক্তি দেয় মানুষকে। এনডোর্ফিন তীব্রতর হয়; আরও রাসায়নিক ক্রমে চড়া হয়ে ওঠে, আসে আমোদ উৎপাদক হরমোন রাসায়নিক ‘ডোপামিন’ ও নরইপিনেফ্রিন, এই নিউরোট্রান্সমিটারটি ইতিবাচক প্রণোদনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই ‘রোমাঞ্চকর ধেয়ে আসা’ কারও জন্য হয় হিতকরী, কাউকে করে বড় উদ্দীপ্ত; কেউ কেউ ভালোবাসাতে হয় আসক্ত। সিক্রেটস অব দ্য সুপার ইয়ং বইটি লিখে খ্যাত নিউরোসাইকোলজিস্ট ডেভিড উইকস বলেন, জীবনসঙ্গী যাঁরা ঘন-ভালোবাসা করেন প্রায়শ; তাঁদের আয়ু বেশ বাড়ে। কেবল ঘনিষ্ঠ ভালোবাসা নয়, দৈহিক সংস্পর্শ, নিঃসৃত করে এনডোর্ফিন; যেমন, হরমোন অক্সিটোসিনও। মানুষের মধ্যে বন্ধন স্থাপনে অক্সিটোসিনের ভূমিকা অনন্য। এই দুটো রাসায়নিক প্রাকৃতিক আফিমের মতো কাজ করে; নেশা ধরায় মনে, আসক্তি টানে, সুস্থিত করে রোমান্টিক সম্পর্ক—বলেন ডা. মাইকেল ওডেন্ট। অন্তরঙ্গ স্পর্শ, যেমন, হাতে হাত ধরা, হাত ধরে হাঁটা, প্রেমিকের গালে টোকা দেওয়া—এমন আন্তরিক ভালোবাসা শরীরে রোগ প্রতিরোধ অ্যান্টিবডি বাড়ায়; গ্রোথ হরমোনকে প্রণোদিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতাল-নার্সারিতে অপরিণত শিশুদের নার্সরা বুকে ধরে গালে টোকা দিলে গ্রোথ হরমোন নিঃসরণ বাড়ে—এই ফলাফল অনেক হাসপাতালকে ‘স্পর্শ করা চর্চা’ চালু করতে উৎসাহিত করেছে, যাতে নিওন্যাটাল নার্সারিতে শিশুরা বেড়ে ওঠে সহজে। বিখ্যাত হূদেরাগ বিজ্ঞানী ডিন অরনিশ লিখেছেন, আমাদের অসুস্থ হওয়া ও ভালো থাকা, আমাদের বিষণ্ন হওয়া, আমাদের সুখী হওয়া—এসব কিছুর মূলে রয়েছে ভালোবাসা ও অন্তরঙ্গতা, আমাদের রোগভোগ ও নিরাময় এসবের মূলেও রয়েছে এই দুটো জিনিস। রোগীর হূদ্যন্ত্র ও রক্তনালির স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্য, ধূমপান, বংশগতি ও ব্যায়ামের যেমন প্রভাব, ভালোবাসারও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব। ক্যালিফোর্নিয়ার ইনস্টিটিউট অব হার্টম্যাথের গবেষকেরা ইদানীং দেখেছেন, মগজের মতো হূদ্যন্ত্রও ইমোশনের মুখোমুখি হলে উৎপন্ন করে হরমোন। ভালোবাসা, প্রেমের প্রভাবে খুব ছন্দময়, সংগতিপূর্ণ হূৎস্পন্দন ঘটে, অথচ নেতিবাচক ইমোশন জন্ম দেয় এলোমেলো স্পন্দন। জীবনসঙ্গীদের মধ্যে প্রেমঘন ভালোবাসা অনেক রোগ প্রতিরোধ করে, দীর্ঘায়ু করে দম্পতিকে। যাঁদের মা-বাবার সঙ্গে মধুর সম্পর্ক, তাঁদের হূদেরাগ হয় অনেক কম। দার্শনিক ব্যাখ্যা বাদ দিলেও এর একটি প্রায়োগিক ব্যাখ্যাও আছে। একা জীবনযাপনে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁদের চেয়ে অনেক সুবিধায় থাকেন দম্পতিরা। যেমন, বিবাহিত পুরুষের কথা যদি বলি—স্ত্রীরা সুষম আহার পরিকল্পনা করেন, অনেকে রান্না করেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে স্বামীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং জোরও খাটান। বিবাহিত জীবন যেমন—প্রেমঘন, তেমনি নিরাপদ ও রুচিশীলও বটে। মূলকথা যা শাশ্বত; ভালোবাসার শক্তি স্বাস্থ্যকুশল বাড়ায়। ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে এমন সংকল্প হোক সবার, ‘ভালোবাসি, ভালোবাসি, এই সুরে, কাছে দূরে জলে স্থলে সর্বত্র।’
আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস : HAPPY VALENTINE DAY
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ২:৩৮ PM | প্রেম-ভালবাসাভালোবাসা হচ্ছে সৃষ্টির সেরাজীব মানুষের এক অমূল্য অনুভূতি। একের জন্য অপরের প্রীতি, প্রিয়জনের জন্য প্রেম, আপন মানুষের জন্য সহানুভূতি-এসব কিছুই ভালোবাসার আওতায় পড়ে। বয়োজ্যেষ্ঠের প্রতি শ্রদ্ধা আর কনিষ্ঠের প্রতি স্নেহ মূলত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সেই ভালোবাসা মনকে উদার, হৃদয়কে করে সংবেদনশীল ও মানবিক। অনুভূতিকে করে উন্নত থেকে উন্নতর। বাস্তবে এর বিপরী চিত্রে অতি আবেগ, যৌবনের মোহ ও অনেক ক্ষেত্রেই উচ্ছৃঙ্খলতাই হচ্ছে দৃষ্টিগোচর। এর কারণ, ‘ভালোবাসা’কে অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ ও হালকা অর্থে ব্যবহার করায় এর ভালো দিক হারিয়ে গেছে অনেকটাই। ভালোবাসার অভাবে জীবন হয়ে ওঠে রুক্ষ্ম মরুভূমির ধূ-ধূ বালুকা প্রান্তরের মতো। অথচো ভালোবাসাকে আমরা সঙ্কীর্ণ করে নিজেদের সঙ্কীর্ণতারই পরিচয় দিচ্ছি। ভালোবাসার মতো একটা সুমহৎ গুন মানবিকতার প্রকাশ ও বিকাশ ঘটায়। অথচো আধুনিকতা ও প্রগতির নামে সে ভালোবাসা হালকা প্রেমের অর্থহীন হুজুগে পর্যবসিত হযেছে। আমরা ভুলে যাচ্ছি, ভালোবাসা নিছক আবেগ ও উত্তেজনা কিংবা যৌনতা এবং অশ্লীলতার বিষয় নয়। সত্যিকার বা বৃহত্তর অর্থে ‘ভালোবাসা’ কথাটার প্রয়োগ যথাযথভাবে না হওয়ায় ব্যক্তি, পরিবার তথা সমাজ জীবনে যেমনি নানা জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে, বাড়ছে অশান্তি। ঠিক তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অশোভন কার্যকলাপও। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, ‘তুমি যে দিবস রজনী শুধু ভালোবাসা ভালোবাসা করো,/ সখী, ভালোবাসা কারে কয়,/ সে কি কেবলি যাতনাময়?’ সত্যিই ভালোবাসার নামে অনেকেই তারুণ্যের তাড়নায় আবেগে নিমজ্জিত হয়েছে এবং অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে। এ কারণে তাদের জন্য, কথিত ভালোবাসা বয়ে এনেছে যাতনা। এর পরিণামে প্রতিনিয়ত চলছে প্রেম সংশ্লিষ্ট হনন কিংবা আত্মহনন। অল্প বয়সের অধিক উচ্ছাসে প্রেমের জোয়ার ভাসিয়ে নিচ্ছে সম্ভাবনাময় বহু জীবন। ভালোবাসার অগভীর উপলদ্ধি অনেককেই টেনে নিচ্ছে পতন ও পরাজয়ের গভীরে। তখন সার্বক্ষণিক সঙ্গী হয়ে ওঠে হতাশা ও বিষন্নতা। প্রেমের নামে মেকি ভালোবাসার ফাঁদে জড়িয়ে অকালে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক জীবন। অসময়ে নিঃশেষ হচ্ছে অসংখ্য মানুষের মেধা-প্রতিভা-সম্ভাবনা। এ অবস্থায় ব্যক্তির বিপর্যয়, পরিবারে অশান্তি, সমাজে উচ্ছৃ্ঙ্খলতা পরিণতি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভালোবাসাকে বলা হয় মর্ত্যের জন্য স্বর্গের উপহার। সেই ভালোবসার মোড়কে ও ভোগবাদী পশ্চিমা জগতের প্রভাবে অনেক ক্ষেত্রে অনৈতিকতার সর্বনাশা খেলা চলছে। মূলত ভালোবাসা সব ক্ষেত্রে প্লাটনিক লাভ না হলেও তা পাশবিক নয়, মানবিক প্রবৃত্তিই জাগায়। যদিও ‘ভালোবাসা দিবস’ আমাদের ঐতিহ্যগত কোন দিন নয়; বরং পাশ্চাত্যের একটি উৎসব। তারপরেও প্রচরিত বিশ্বব্যবস্থায় আমরা পশ্চিমা জগৎকে অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছি। কিন্তু পশ্চিমারা এখন ‘ভালোবাসা দিবস’ আমাদেরকে পালন করতে বাধ্য না করলেও আমরা তা করছি মুলত ফ্যাশন ও অনুকরণপ্রিয়তার কারণে। ইংরেজীতে এই দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইনডে’ বলা হয়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্ট ধর্মের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। দিবসটির প্রচলন সম্পর্কে একাধিক কাহিনীর কথা জানা যায়। একটি কাহিনীর সারার্থ, ঐশী বা আধ্যাত্মিক প্রেমই ভালোবাসা দিবসের উৎস। এখন এ দিবসের মমার্থ এর বিপরীত চিত্রই বেশি ফুটে ওঠে প্রকটভাবে। বলাবাহুল্য, আধ্যাত্মক প্রেম হলো ভালোবাসার সর্বোচ্চ স্তর। মহান স্রষ্টা তাঁর অপার ভালোবাসায় আমাদের সৃজন করেছেন। তাঁর নির্দেশিত পন্থায় তাঁকে ভালোবেসেই এর প্রতিদান দিতে হয়। আধুনিক যুগে এর বিপরীত মেরুতে নেহাত জৈবিক উদ্যমতার মধ্যে অনেকে ভালোবাসার অমর্যদা করছেন। অপর দিকে ‘কনজ্যুমারিউজম’-এর যুগে ভালোবাসা দিবসের স্লোগান তুলে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী রকমারি পণ্যে মুনাফা লুটায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ভালোবাসা মানবজীবনের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। এটা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রীর বিষয় নয়। সন্তানের জন্য মা-বাবা, ভাইবোন পরষ্পরের জন্য, কিংবা পরিবরের একে অন্যের জন্য, বুন্ধু-বন্ধুর জন্য, এক কথায়- মানুষ তার প্রিয়জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভালোবাসাবোধ করে থাকেন। তাই বলছি- ভালোবাসার অর্থকে নিজের মতো মূল্যায়ন না করে তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হোক এই কামনায়। সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। ‘HAPPY VALENTINESDAY-2015’
নিত্য ভালবাসা দিবস
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৯:৩২ AM | প্রেম-ভালবাসাআজ নাকি আহা একটু ভালবাসার কাঙ্গাল
কপোত কপোতী সকল এক দিনে এক যোগে
বিশ্ব ভালবাসা দিবস উদযাপনে মাতবে,
বৎসরে ৩৬৪ দিন কেঠেছে যাদের ভালবাসাবিহীন ,
একটু ভালবাসার কাতর হয়ে কাঠিয়েছে দুর্দিন
আজ নাকি একদিন তাদের ভালবাসার সুদিন ,
আজ তারা সেজে গুজে পরিপাটি হয়ে পরস্পরে
করবে নানা রঙ বেরঙের ফুল, দামী উপহার আর
তার সাথে হৃদয়ে থেকে হৃদয়ে ভালবাসা বিনিময়,
পরম যতনে আজ রাতে দামী রেস্তোরায় খাবে ,
ঠোঁটে ঠোঁট রেখে পরম আদরে চুমুবে পরস্পরে
হাতে হাত রেখে তারা আজ কোমর দোলিয়ে নাচবে
হুইস্কির পেয়ালায় চুক চুক চুমুতে কণ্ঠ ভেজাবে
মাতাল হবে, আজ রাতে মাতালের মত ভালবাসবে;
রাত শেষে যে যার শূন্য ঘরে ফিরে যাবে
শূন্য হৃদয়ে - পুরানো সেই তিমিরে,
তারপর বাকি ৩৬৪ দিন বেখবর কপোত কপোতী;
আবার হৃদয়ে হাহাকার
আবার কাতর কান্না
আবার বিরহ বেদনা – শূন্য বিছানা
আবার ও আপেক্ষা ৩৬৪ দিন
কখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস আসবে
কখন একটি রাত পরস্পরে কাছে পাবে
একটু ভালবাসা সোহাগে আদরে মাতবে;
আর এই অধম কিনা বৎসরে ৩৬৫ দিন
তোমার সোহাগী আঁচলের সোনালী শিকলের বন্ধনে
আদরে আহ্লাদে চুমুতে সোহাগে বুকে নিয়ে তোমায়
সোহাগের বিছানায় জড়াজড়ি করে ঘুমায়,
তবু ও তোমার নিত্য মান অভিমান খুন-সুটি
ভালবাসার কমতি কেন তার নিত্য অভিযোগে
কান জ্বালাপালা, তবু ও তোমায় ভাল লাগা,
আর ও অনেক বেশী বেশী ভালবাসা পেতে
ভালবাসার কাঙালী তুমি - কাঙাল আমি,
তোমার হৃদয়ে হাহাকার - আকুল আকুতি
নয়নের কোণে কাতর জলের ধারা
আমাকে বিচলিত করে প্রতিটি নিশ্বাসের
ভালবাসার সোহাগী আশ্বাসে ;
এক দিনের এমন লোক দেখানো
মন মাতানো মাতাল ভালবাসার মুখে
ঘৃণার থুথু ছিটিয়ে দিয়ে আমি
ভালবেসে যাবো তোমায় আজীবন প্রিয়া
দিন রাত দুপুর , সকাল বিকাল
বছরে বারো মাস - ৩৬৫ দিন।
তাই তো তোমাকে ভালবেসে
তুষ্ট রাখার নিত্য প্রচেষ্টা আমার অবিরত,
প্রতিটি মুহুর্ত
প্রতিটি দিন
বৎসরে ৩৬৫ দিন
তোমার আমার একান্ত অনন্ত অফুরন্ত
নিত্য ভালবাসা দিবস।
প্রেম করার অনুপযুক্ত যে ৭ ধরণের নারী!
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৪:৩০ PM | প্রেম-ভালবাসাপ্রেম-ভালোবাসা কিংবা বিয়ের সম্পর্ক কোনো ছেলেখেলা নয় যে আজ একজনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করলাম আর দুদিন বাদেই সেটা ভেঙে ফেললাম। বরং এই ধরণের সম্পর্ক করা উচিত অনেকটাই ভেবেচিন্তে। একাধিক সম্পর্ক কখনোই জীবনে সুখ বয়ে আনে না, বরং ভবিষ্যতে সুখী হবার সম্ভাবনাও নষ্ট করে দেয়।
কথায় আছে, সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। কথাটা কিন্তু অনেকাংশে সত্যিও। আপনার যোগ্য নয় এমন একটি নারীর সাথে প্রেম কিংবা দাম্পত্য ধ্বংস করে দেবে আপনার জীবন ও সুখ শান্তি। শুধু তাই নয়, আপনার পরিবারকেও যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে খুব। তাই যত আকর্ষণীয় মনে হোক না কেন, কিছু নারীদের সাথে সম্পর্ক এড়িয়ে চলাই আপনার জন্য মঙ্গল। চিনে নিন ৭ ধরণের নারীকে, যারা প্রেম করার জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত।
১) যারা আপনার পরিবারের সাথে মিশতে চান না
আপনার পরিবারের সাথেই যদি মেলামেশার আগ্রহ না থাকে কিংবা তিনি যদি ঘৃণা করেন আপনার পরিবারকে, তাহলে এমন মানুষের সাথে কীভাবে আপনি সংসার করবেন বলতে পারেন? একে নিয়ে ভবিষ্যৎ চিন্তা দূরে থাক, প্রেম করার কথাও মাথায় আনবেন না।২) যিনি সামাজিক নন
আপনি হয়তো খুব মিশুক নন, কিন্তু কমবেশি সামাজিকতা এই সমাজে থাকতে গেলে আমাদের সকলকেই জানতে হয়। মেয়েটি যদি খুবই অমিশুক ও অসামাজিক হয়ে থাকেন তাহলে তাঁর সাথে সম্পর্কে জড়ানোর অর্থ হবে একটা একঘেয়ে সম্পর্কে নিজেকে টেনে নেয়া।৩) যার চরিত্র নিয়ে আপনি সন্দিহান
যার চরিত্র নিয়ে আপনি নিশ্চিত নন, এমন মেয়ের সাথে প্রেম করতে যাবেন না। সন্দেহ সত্য হোক বা মিথ্যা, এই সন্দেহের কারণেই জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।৪) যিনি মিথ্যা বলেন খুব
একজন মিথ্যুক সঙ্গী বা সঙ্গিনী যে কোনো মানুষের জীবন ও অন্যান্য সম্পর্কগুলোকে বিষিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট।৫) অতিরিক্ত আধুনিকা
সব সমাজেরই একটা রীতিনীতি আছে। আর সেই সমাজে বাস করতে গেলে সেগুলো মেনে চলাই উত্তম। মানুষ হিসাবে আপনারও নিশ্চয়ই কিছু সীমারেখা আছে? যে নারী আপনার চিন্তাভাবনার চাইতে বেশি আধুনিক, তাঁর সাথে সম্পর্কে জড়াতে যাবেন না। পদে পদে হোঁচট খাবেন।৬) যার কাছে পরিবার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ নয়
জীবনে সুখী হতে গেলে নারী-পুরুষ উভয়েরই উচিত পরিবারকে সবার আগে গুরুত্ব দেয়া। কিন্তু যে নারীর কাছে পরিবারের কোনো মূল্য নেই, তিনি আপনার ভালোবাসারও মূল্য দিতে পারবেন না।৭) অর্থলোভী
যে মেয়েটি পুরুষকে মূল্যায়ন করেন কেবল তাঁর অর্থ দিয়ে, জেনে রাখুন এমন ধরণের মেয়ে প্রেম করার জন্য সবচাইতে অযোগ্য।সুখে থাকার সহজ শর্ত
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১:০০ PM | প্রেম-ভালবাসাভালোবাসা শর্ত দিয়ে হয় না, তবে ভালো থাকা হয়। যেমন ভালোবাসার শুরুতে ইশারায় কিংবা চোখে চোখে কথা বলাই যথেষ্ট মনে হলেও বিয়ে বা প্রেমের কয়েক বছর পর ইশারায় আর কাজ হয় না।
সর্ম্পকে সমস্যা যাই হোক, তা আলোচনা বা কথোপকথনের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। কিন্তু সেই কথোপকথনেই যদি আপত্তি থাকে তাহলে ছোট খাট মান অভিমানও রূপ নেয় বড় ঝগড়ায়।
অনেকেই চুপ থাকাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে জেনে রাখা ভালো সব ব্যাপারে নীরবতা ভবিষ্যৎ ঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে আসে।
বিভিন্ন গবেষণা প্রমাণ করে যোগাযোগের অভাবের কারণে হার্টের সমস্যাও হতে পারে। পারস্পরিক যোগাযোগের অভাবে পরস্পরের প্রতি অসহনীয়তাও বৃদ্ধি পায়। ফলে বাড়ে দূরত্ব।
সঙ্গীর সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মান অভিমান, সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি মানসিক শান্তিও আসে।
দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার সহজ শর্ত:
কথা বলুন: সঙ্গীর সাথে সকল বিষয়ে কথা বলুন। তার সাথে সারাদিনে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো শেয়ার করুন।
প্রতিশ্রুতি: যে কোনো সর্ম্পকে একে অপরের প্রতি কমিটেড থাকা খুব জরুরি।
অভিযোগ: যদি কোনো বিষয়ে মনে কষ্ট পেয়েও থাকেন, তা সরাসরি সঙ্গীকে বলুন। মনে চেপে রাখবেন না। তবে অবশ্যই সকলের সামনে নয়।
ভালোবাসুন: সমস্ত রাগ অভিমানের উর্ধ্বে গিয়ে সঙ্গীকে ভালোবাসুন। তাকে বুঝতে দিন আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন।
যত্ন নিন: সঙ্গীর যত্ন নিন। খাবার, কাজ, বিশ্রাম, সকল বিষয়ে যত্নশীল হোন।
প্রশংসা করুন: আপনার সঙ্গীর প্রতিটি ছোট বড় কাজের প্রশংসা করুন।
আমরা প্রত্যেকেই চাই প্রিয়জনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক স্থায়ী এবং মধুর হবে। তবে এর জন্য দুজনকেই উদ্যোগী হতে হয়। কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য চুপ থাকা সঠিক পদক্ষেপ নয়।
কোনো কারণে যদি কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন, তবে এসএমএস অথবা ফেসবুকের সাহায্য নিতে পারেন।
সম্পর্কের শীতলতা ভেঙ্গে না হয় আপনিই আজ বন্ধুত্বের হাত বাড়ান।
পুরুষের যে "বিচিত্র" আচরণগুলো দারুণ পছন্দ করে মেয়েরা
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১১:৪০ AM | প্রেম-ভালবাসা
আপনার কিছু আচরণ নিজের কাছেই বিচিত্র লাগে? তাহলে জেনে রাখুন, এই বিচিত্র আচরণগুলোই হয়তো দারুণ পছন্দ করেন আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা। হ্যাঁ, পুরুষের এমন কিছু আচরণ আছে যেগুলো তাঁর নিজের কাছে বিচিত্র কিংবা লজ্জার মনে হলেও নারীদের চোখে এই ব্যাপারটা পুরুষকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। এবং পুরুষটিকে আরও বেশি ভালোবেসে ফেলেন তিনি। চলুন, আজ জানা যাক এমন ১০টি বিচিত্র আচরণ সম্পর্কে।
১) বাচ্চাদের সাথে যখন আপনি দারুণ মিলেমিশে যেতে পারেন
বাচ্চা লালন-পালনকে মেয়েদের কাজই মনে করেন বেশিরভাগ পুরুষ। কিন্তু একজন পুরুষ যখন একটি বাচ্চা সামলাতে পারেন এবং বাচ্চারাও তাঁকে খুব পছন্দ করে, এমন পুরুষের আকর্ষণ নারীর চোখে সবচাইতে বেশি।
২) কাঁদতে জানে এমন পুরুষ
কাঁদতে পুরুষ ঘৃণা করে। কিন্তু নারীর চোখে কাঁদতে জানাটা হচ্ছে পুরুষটির নরম ও আবেগী মনের প্রমাণ।
৩) স্ত্রী/প্রেমিকার জন্য মেয়েলি কেনাকাটা নিজেই আগ্রহ নিয়ে করলে
মেয়েলি কেনাকাটা বা মেয়েদের শপিং ঘৃণা করেন? কখনো নিজের ভালোবাসার নারীর জন্য একটি কাজল বা একটি লিপস্টিক কিনেই আনুন নিজে পছন্দ করে। আর তারপর দেখবেন, কি ভীষণ খুশি হবেন এই সামান্য উপহারে তিনি।
৪) সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য বিচিত্র কাণ্ডকারখানা করলে
হয়তো নাচতে জানেন না মোটেও, কিন্তু স্ত্রী বা প্রেমিকাকে সারপ্রাইজ দিতে বেশ একটু নেচে দেখালেন। এমন বিচিত্র মজার সারপ্রাইজ দেয়ার ব্যাপারটি সব মেয়েই পছন্দ করেন। তাঁরা বুঝতে পারেন যে ভালোবাসার পুরুষটি কেবল তাঁকে খুশি করার জন্যই এমন কাজ করছেন যা তিনি আসলে পারেন না।
৫) মুখে তুলে খাইয়ে দিলে
মুখে তুলে খাইয়ে দেয়ার কাজটা নারীরাই করেন সাধারণত, আর পুরুষ এটা উপভোগ করেন। কিন্তু পুরুষ যখন এই কাজ করেন, তখন নারীর মন জয় করে নিতে বাধ্য।
৬) নারীর ওজন নিয়ে মাথাব্যথা না থাকলে
সব পুরুষই খোঁজেন স্লিম, সুন্দর ফিগারের নারী। কিন্তু কোন পুরুষ যখন নারীর বাড়তি ওজন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখান না বা বিষয়টি নিয়ে তাঁর কোন অসুবিধা হয় না, এমন পুরুষকে সঙ্গী হিসাবে পেতে চান সকল নারী।
৭) একটু ঘরকুনো/ অসামাজিক আচরণ
পুরুষ মানেই সাধারণত একটু আড্ডাবাজ, বন্ধুবান্ধব ঘেঁষা হয়ে থাকেন। কিন্তু যেসব পুরুষেরা নিজের স্ত্রী ও পরিবারের সাথেই সময় কাটাতে বেশি ভালোবাসেন, নারীর চোখে তাঁদের এই বিচিত্র আচরণটাই বেশি সুন্দর।
৮) বিদায়ের সময় একটুখানি ভালোবাসা
পছন্দের মেয়েটি চলে যাচ্ছেন, যেতে যেতে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেন আর দেখলেন যে আপনি তাঁর দিকে চেয়ে আছেন। এই সামান্য বিষয়ে নারীরা যে কি ভীষণ খুশি হন, সেটা কোন পুরুষ আন্দাজও করতে পারেন না।
৯) ছোটখাট ব্যাপারে আগ্রহ দেখালে
নারীরা প্রেমিক কিংবা স্বামীর ছোটখাট সব ব্যাপারেই ভীষণ মাথা ঘামান আর এটা নিয়ে বেশিরভাগ পুরুষই খুব বিরক্ত থাকেন। মজার বিষয়টা হচ্ছে, নারী কিন্তু চান পুরুষও তাঁর ছোট ছোট সব বিষয়ে মাথা ঘামাক। খেয়েছে কিনা, কী করছেন, সারাদিন কী হলো এইসব ছোট ব্যাপার জানতে চাইলে ভীষণ খুশি হয়ে ওঠে মেয়েরা।
১০) নিজের পছন্দ মত সাজতে বললে
ভাবছেন মেয়েদের সাজগোজের আপনি কি বোঝেন? তবুও একদিন স্ত্রী কিংবা প্রেমিকাকে বলুন একটা বিশেষ রঙের শাড়ি পরতে, কপালে একটু কাজল কিংবা খোঁপায় একটা ফুল দিতে। দেখবেন আপনার প্রতি কি ভীষণ ভালোবাসায় ভরে যাবে তাঁর অন্তর। নারী মনে করবেন যে আসলেই তাঁর চোখে আপনি সুন্দর আর তাই তো এত পরোয়া করছেন তাঁর সাজের।
স্যালুট তানজিনাকে---তোমার কীর্তি হোক আর্দশের মডেল।
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১০:০৭ AM | প্রেম-ভালবাসা | সচেতনতানালায় ফেলে যাওয়া সদ্য জন্মানো শিশুকে বাঁচালেন চবি শিক্ষার্থী তানজিনা উর্মী
ফুটফুটে পরীর মতো এক শিশুকে নালায় ফেলে গেছে কোন পাষন্ড মা। বয়স মাত্র একদিন, অতটুকুন মানব শিশু, নালার দূর্গন্ধ সইবে কেমন করে! শিশুটি কেঁদে উঠলে টের পায় পাশেই কর্মরত ময়লাঅলা! আর পৃথিবীতে আসা নতুন এ অতিথির সংবাদ ময়লাঅলা থেকে যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তানজিনা উর্মীর কানে। সঙ্গে সঙ্গে আরেক বন্ধুকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রামের ২ নং গেটের মেয়রগলি থেকে শিশুটিকে বাঁচাতে ওরা ছুটে যায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
ডাক্তারদের তত্ত্ববধানে শিশুটি একটু সুস্থ হয়ে উঠলে ওকে কোলে নিয়ে তানজিনা ফেসবুকে একটি ছবি আপডেট করেন। শিশুটিকে বাঁচাতে বন্ধুদের সহায়তার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে তানজিনা বলেন, অশেষ ধন্যবাদ ময়লাওয়ালা, ওমর, বর্ষন; যারা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে বাচ্চাটাকে বাঁচাতে। ওর নাম দিয়েছি নিধি। সবাই দোয়া করবেন নিধির জন্যে। আপনাদের জানাশুনা কেউ দত্তক নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন।
তানজিনা তার ছবিটির কমেন্টেসে আরো উল্লেখ করেন, এভাবে কতো শিশু যে মারা যাচ্ছে, আমরা তার খবর পাই না। আল্লাহর অশেষ কৃপা যে আমার ভাগ্য হয়েছে, সব না হলেও একটা শিশুকে বাঁচানোর।
ছবিটি প্রকাশ হবার পর সেটি ফেসবুকের মাধ্যমে জনে জনে শেয়ার হতে থাকে। ঘটনাটিতে মুগ্ধ হয়ে একজন মন্তব্য করেন, অনেক প্রার্থনা নিধির জন্য; জন্মের পর পরই নোংরা বিষাদকে ঝেড়ে ফেলা এমন বিস্ময়কর অপার্থিব ভালোবাসা খুব খুব কম মানুষ পায়। ভালো হৃদয়ের মানুষ যে কমে গেছে। এই প্রজন্মের উপর আশা রাখুন!
স্লোগান হোক-মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য।
প্রেমে পড়লে আপনার দেহে যে ৬টি মজার পরিবর্তন ঘটে!
মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১০:৪৫ AM | প্রেম-ভালবাসা | স্বাস্থ্য -চিকিতস্যাজীবনে একবার হলেও প্রেমে পড়েন নাই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। একবারের জন্য হলেও প্রেমে পড়ার অসাধারণ অনুভূতিটা নিশ্চয়ই কখনো না কখনো পেয়েছেন আপনি। প্রেমে পড়লে জীবনে আসে নানান রকমের পরিবর্তন। সেই সঙ্গে দেহেও আসে নানান পরিবর্তন। জেনে নিন প্রেমে পড়লে দেহের কি কি পরিবর্তন ঘটে সেই সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য।
মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পরিবর্তিত হয়ে যায়
প্রেমে পড়ার বিষয়টি মস্তিষ্কের ১২ টি স্থানে গিয়ে আঘাত করে। ফলে প্রেমে পড়ার সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পরিবর্তিত হয়ে যাবে। আপনার মস্তিষ্ক সব সময়ে যেভাবে চিন্তা করেছে সেভাবে চিন্তা করতে পারবে না। অনেক বিষয়ই আবেগ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হবে তখন।
হৃৎপিণ্ডের গতি পরিবর্তিত হয়ে যায়
প্রেমে পড়লে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। আর হরমোনের এই পরিবর্তনের ফলে রক্তচাপ কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে যায় হৃৎপিন্ডের গতিও। বিশেষ করে ভালোবাসার মানুষটির আশেপাশে থাকলে এই পরিবর্তনটা বেশি ঘটে থাকে।
ঘুম কম হয়
প্রেমে পড়লে কমপক্ষে একঘন্টা কমে যায় রাতের ঘুম। একটি জরিপে পাওয়া গিয়েছে এই তথ্য। জার্নাল অফ এডোলেসেন্ট হেলথে প্রকাশিত হয়েছিলো গবেষণাটি। আর তার কারণ হলো রাতে ঘুমাতে গেলেই প্রিয় মানুষটির কথা সবচাইতে বেশি মনে পড়তে থাকে এবং শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যায়। ফলে ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত হতে পারে না শরীর এবং ঘুমাতে দেরী হয়ে যায়।
শরীরের নানান ব্যাথা কমে যায়
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অফ মেডিসিনের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে প্রেমে পড়লে মানুষের শরীরের নানান ধরনের ব্যাথা সেরে যায়। ভালোবাসা মস্তিষ্কের নিউরাল রিসেপটরের কার্যকারীতা বাড়িয়ে ব্যাথার অনুভূতি কমিয়ে দেয়। তাই ভালোবাসাকে বিজ্ঞানীরা ব্যাথার ওষুধ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ভুলোমন
প্রেমে পড়লে আপনি সব কিছু ভুলে যাওয়া শুরু করবেন। আর তার জন্য দায়ী হলো অক্সিটসিন হরমোন। প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কে প্রচুর পরিমাণে অক্সিটসিন হরমোন উৎপন্ন হয় যা স্মৃতিশক্তি কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। আর তাই মানুষ কিছুটা অন্যমনষ্ক এবং ভুলোমনা হয়ে যায় প্রেমে পড়লে।
স্বাদ বেশি লাগে
প্রেমে পড়লে নাকি খাবারের স্বাদও বেশি লাগে। আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেয়া হয়েছে এমন তথ্য। জরিপে দেখা গিয়েছে যে যারা নতুন প্রেমের
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
অনুসন্ধান
এখন সাথে আছেন
বিভাগ
আমাদের খাদ্য
ইন্টারনেট
ইন্টারনেটে আয়
উইন্ডোজ ১০
উইন্ডোজ ৮
উইন্ডোজ এক্সপি
উইন্ডোজ সেভেন
উৎসব
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
কবিতা- সাহিত্য
কেনাকাটা
ক্যারিয়ার
খেলার খবর
টিপস এন্ড ট্রিকস
টিভি
দুর্যোগ
ধর্ম
প্রতিভার খবর
প্রযুক্তির খবর
প্রাণী জগৎ
প্রেম-ভালবাসা
ফটোগ্রাফি
ফেসবুক
বাংলা ছিনেমা
ভ্রমণ
মোবাইল ফোন
রহস্যময় খবর
রেডিও
লাইভ টিভি
লিনাক্স
শিক্ষা
সচেতনতা
সম্পর্ক
সাংস্কৃতিক সংবাদ
সৌরবিদ্যুৎ
স্বাস্থ্য -চিকিতস্যা
হাসপাতালের নাম-ঠিকানা
জনপ্রিয় লেখাগুলো
-
দেশের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহারের সুফল ছড়িয়ে দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দিন বদল তথা কাঙ্খিত ডিজিটাল ...
-
নিজের দেশের Revshare সাইটে কাজ করুন এবং ফ্রিতে ইনকাম করুন অনেকে অনলাইনে আয় করার কথা ভাবছেন তারা দেশি একটা সাইটে কাজ করে দেখতে পারেন ...
-
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ দয়া করে রাজধানীতে ভাসমান মানুষের জন্য একটা কিছু করেন, খাবার তো কোনা কোন ভাবে তারা পাচ...
-
প্রথমে সবাই কে জানাই অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। পরীক্ষার কারনে অনেক দিন কোন টিউনস করতে পারিনি। আপনারা সবাই আমার...