প্রাণী জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রাণী জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কেন এই গাছগুলো বিস্ময়কর?

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১০:৩০ AM | |
ফটো সোর্স:Whyzat
বাড়ির বারান্দায় অথবা ছাদে দু একটি গাছ লাগানো হয়। অনেকে শখ করে বাগান করে থাকেন। আজকাল বাড়ির অন্দর মহল থেকে শুরু করে অফিস ডেকোরেশনের জন্যও ব্যবহার করা হয় কিছু  গাছ। সাধারণত পাতা বাহার গাছ অথবা ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো হয়ে থাকে। গাছ বলতেই আমার মনে করি খুব সাদামাঠা, ফলের গাছ, পাতাবাহার বা ফুলে ফুলে ফুলে ছাওয়া। কিন্তু কিছু গাছ আছে যা আমাদের কল্পনাকেও হারায় মানায়। মনোমুগ্ধকর অবিশ্বাস্য ধরণের সুন্দর গাছগুলো নিয়েই আমাদের আজকের ফিচার। প্রচ্ছদের ছবিটি এমনই এক অদ্ভুত দর্শনের গাছের ছবি, যা দেখতে পাওয়া যায় পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায়। এই গাছটির বয়স ১৫০০ বছরেও বেশি! চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এমনি কিছু সুন্দর গাছ।   
Read more ...

আমাদের শরীরের মধ্য যে ১০টি জীবন্ত প্রাণী নিয়ে আমরা বেঁচে আছি!

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১১:০৫ AM | |
নিজের শরীরের ব্যাপারে ঠিক কতটুকু জানেন আপনি? আপনি কি জানেন, যে শরীরটির ওপরে আপনার এত কর্তৃত্ব, তাতে বাস করছে আরও অনেকগুলো প্রাণী? হ্যাঁ, মানুষের শরীরে এত এত প্রাণী বাস করে যে একে পুরোপুরি একটা বাস্তুসংস্থান এমনকি একটি গ্রহের সাথে তুলনা করা যায়! বেশিরভাগ সময়ে এদের উপস্থিতি আমরা টেরও পাই না। তবে মাঝে মাঝে এরা শরীরে তৈরি করে অস্বস্তি এবং রোগ। ভাবছেন উকুনের কথা বলছি? না, উকুন ছাড়াও আরও অনেক প্রাণী আছে যা আপনার অজান্তেই বাস করে আপনার শরীরে। আসুন দেখে নেই এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া যারা আমাদের শরীরকে বাসাবাড়ি মনে করে দিব্যি বাস করে যাচ্ছে।

১) অ্যাথলিট’স ফুট ফাঙ্গাসঃ Trichophyton এবং Epidermophyton নামের ফাঙ্গাসগুলো ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় একজনের শরীর থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে যায়। এরা পায়ের নখের ভেতরে গিয়ে লুকিয়ে যায়, এমনই অনেক সময়ে মাথার তালুতেও ছড়িয়ে যেতে পারে।

২) ভ্যাজাইনাল ফ্লোরাঃ কিছু উপকারি ব্যাকটেরিয়া বাস করে নারীদের জননাঙ্গে এবং উৎপাদন করে ল্যাকটিক এসিড, যার ফলে কিছু ক্ষতিকর জীবাণু যেমন Candida albicans জন্মাতে পারে না।
৩) ফার্মিকিউট এবং ব্যাকটেরয়েডঃ কমপক্ষে ৫০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া বাস করে মানুষের পেটের ভেতরে যাদের ওজন প্রায় ৩.৩ পাউন্ড। এরা কার্বোহাইড্রেট এবং অন্যান্য কিছু পুষ্টি উপাদান ভেঙে ফেলে এবং হজমে সহায়তা করে। এদের উপস্থিতির কারণে ক্ষতিকর কিছু ব্যাকটেরিয়া পেটের ভেতরে জন্মাতে পারে না।
৪) হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসঃ শতাধিক হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV) মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এদের মাঝে টাইপ ১৬ এবং ১৮ বেশি ক্ষতিকর, যাদের কারণে বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার হতে দেখা যায়।
৫) মাথার উকুনঃ Pediculus humanus capitis হোলো আমাদের খুব পরিচিত এবং বিরক্তিকর উকুন। এরা এতই পুরনো যে ১০ হাজার বছর পুরনো একটি চুলের সাথে আটকে থাকা অবস্থাতেও একটি উকুন পাওয়া গেছে। চ্যাপ্টা, উড়তে অক্ষম এসব ক্ষুদ্র প্রাণী আমাদের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে এবং এদের ডিম পারে আমাদের চুলের মাঝে।
৬) ডেন্টাল স্ট্রেপ্টোকক্কাসঃ নিয়মিত ব্রাশ না করলে আমাদের দাঁতের ওপরে একটা ব্যাক্টেরিয়ার স্তর পড়ে যায়। এদের মাঝে বেশিরভাগই হলো Streptococcus sanguis এবং S. mutans। নিয়মিত ব্রাশ করলেও এরা কিছু পরিমাণে দাঁতে থেকেই যায়। দাঁত ওঠার সাথে সাথে এরা আবির্ভূত হয়, আর থাকে দাঁত খসে না যাওয়া পর্যন্ত।


৭) ডেমোডেক্স মাইটঃ এরা বাস করে আমাদের চোখের পাপড়ির গোড়ায়। এখানেই খাওয়া দাওয়া বংশবৃদ্ধি সব করে এরা আর বের হয় না সচরাসর। মাঝে মাঝে আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের মুখের ওপরে চলাফেরা করে। এরা হয়ে থাকে ০.৩ মিলিমিটারের মতো লম্বা। বয়স যত বাড়তে থাকে, এদের দ্বারা আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তত বাড়ে।
৮) শিংগলসঃ একবার যদি আমাদের চিকেন পক্স হয়ে থাকে তবে varicella-zoster নামের ভাইরাসটি আমাদের শরীরে থেকেই যায়। মেরুদণ্ডের কাছে স্নায়ুতে থেকে যায় এরা। বয়স বাড়লে বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এই ভাইরাস আবার সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তখন এরা ব্যাথা এবং ত্বকে র‍্যাশ তৈরি করে যাকে বলা হয় শিংগলস।
৯) ফসিল ভাইরাসঃ আপনি কি জানেন, আপনার ডিএনএর ভেতরেও যে কিছু পরিমাণে অন্য পরজীবী প্রাণীর অংশ আছে? আমাদের পূর্বপুরুষকে যেসব ভাইরাস আক্রমণ করেছিলো তারা এসব আবর্জনা রেখে গেছে আমাদের শরীরে। এসব ডিএনএ টুকরো নিজেরাই সময়ের সাথে উন্নত হয়েছে এবং তারা আমাদের ডিএনএর ভেতরে নিজেদের কপি রেখে যেতে পারে। এর থেকে তৈরি হতে পারে মানবদেহের বিভিন্ন জেনেটিক রোগ।
১০) স্ট্যাফাইলোকক্কাসঃ শুধু যে আমাদের পেটের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তাই নয়, আমাদের ত্বকেও রয়েছে ট্রিলিয়নের মতো ব্যাকটেরিয়া। এরা ঘাম থেকে তৈরি করে দুর্গন্ধ। এসব ব্যাকটেরিয়া হয়ে থাকে ১৮২ প্রজাতির। এসবের বেশিরভাগ ব্যাকটেরিয়া অবশ্য ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।
তথ্যসূত্রঃ দেশবিদেশে.কম
Read more ...

শ্রীলঙ্কার একটি গ্রামে মাছবৃষ্টি

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ১০:৫৫ AM |
শ্রীলঙ্কার একটি গ্রামে সোমবার মাছবৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসী জানান, ঘরের চালে আকাশ থেকে ভারী কিছু পড়ার শব্দে তারা বাইরে ছুটে যান। খোলা মাঠে, বাড়ির আশপাশে, রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে মাছ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। সব মিলিয়ে তারা প্রায় ৫০ কিলোগ্রামের মতো মাছ কুড়িয়ে পেয়েছেন। ছোট ছোট মাছ কুড়িয়ে পাত্রে রেখে পানি ঢালামাত্রই সেগুলো লাফিয়ে ওঠে। তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি লম্বা মাছগুলো সে দেশের পরিচিত মাছ। খাওয়ার উপযোগী এ মাছবৃষ্টিতে আনন্দভোজ হয় গ্রামটিতে। শ্রীলঙ্কার চিলাও জেলার একটি গ্রামে অস্বাভাবিক এ মাছবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। অস্বাভাবিক এ মাছবৃষ্টিতে দারুণ আনন্দিত গ্রামবাসী। এ নিয়ে তারা রীতিমতো উৎসবে মেতে ওঠেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘মাছবৃষ্টি’ অস্বাভাবিক হলেও প্রকৃতিতে এটা ঘটে থাকে। মাছসমৃদ্ধ কোনো কম গভীরতার জলাশয়ের ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণিবায়ুর কেন্দ্র বয়ে গেলে এমন জলঘূর্ণি ঘটতে পারে। এ সময় পানিতে থাকা মাছ, ব্যাঙসহ সবকিছুই ঘূর্ণিবায়ুর সঙ্গে আকাশে উঠে যায়। আকাশে উঠে যাওয়ার পর ঝড়ের সঙ্গে অনেক দূরে চলে যেতে পারে এসব জলজপ্রাণীও। এমনকি এ জলঘূর্ণি থেমে যাওয়ার পরও মেঘের স্তরের কারণে এরা সাময়িকভাবে আটকে থাকতে পারে ওপরেই। আর ঝড়, জলঘূর্ণি থেমে গেলে মেঘের ভেতর থেকে ঝরে পড়তে শুরু করে জলজপ্রাণীগুলো। সাধারণত মাছবৃষ্টি এমনই হয়।
Read more ...

ছদ্মবেশী ১০ অসাধারণ প্রাণী, যাদের খুঁজে পেলে বুঝবেন আপনার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ!

মোঃ আব্দুল মাজেদ সরকার | ৪:৫৭ PM |
আমাদের সকলের কাছেই প্রাণীজগতের বৈচিত্র্যময়তা বেশ রহস্যজনক। প্রত্যেকটি প্রাণীর মধ্যেই প্রকৃতির বুকে বেঁচে থাকার জন্য আলাদা আলাদা ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই সকল বৈশিষ্ট্যের কারণেই হয়তো এই সকল প্রাণী এখনো প্রানীগত থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। প্রাণীদের এইসকল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ছদ্মবেশ ধরার বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ ক্যামোফ্লেজ নেয়ার বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে প্রাণেরা প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে থাকে। এরকমই ১০টি প্রাণীর ছবি নিয়ে আমাদের আজকের এই ফিচার। দেখুন তো খুঁজে বের করতে পারেন কিনা এই প্রাণীগুলোকে, ধরতে পারেন কিনা এদের ছদ্মবেশ। যদি পারেন তো বুঝতে হবে ভীষণ তীক্ষ্ণ আপনার দৃষ্টি!

(১) যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন তাতে কোন প্রাণিটি রয়েছে তা কি বুঝতে পারছেন? এই ছবিতে রয়েছে একটি ব্যাঙ। এবার খুঁজে বের করুন তো।

(২) আমরা সকলেই জানি গিরগিটি রঙ বদলায়। এই ছবিতে গিরগিটি কোন রঙ ধারন করেছে বলুন তো।

(৩) ছোট ছোট পাথর ছাড়া আর কিছু কি নজরে পড়ছে? এখানে রয়েছে একটি মাছ। এবার দেখুন খুঁজে বের করতে পারেন কিনা।

(৪) অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে থেকেও যদি এই গাছের গুঁড়িতে কোন কিছুর দেখা না মেলে তবে কিন্তু বলা যাবে না আপনার চোখ খারাপ। বলতে হবে মাকড়শাটি বেশ ভালোই ছদ্মবেশে আছে।

(৫) এই ছবিটিতে কিছু কি আদৌ দেখা যাচ্ছে? এই জাতীয় বিটল পোকা আসলেই খুঁজে বের করা দুষ্কর।

(৬) কি সুন্দর দুটি ফুল দেখা যাচ্ছে তাই না? এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ছবিতে প্রাণি কোথায়? একটু ভালো করে দেখুন তো পান কিনা কোনো প্রাণি বা পোকা।

(৭) শুকনো পাতা ভেবে যেন ভুল করবেন না। এই ছবিতেও লুকিয়ে আছে একটি প্রাণি। বলুন দেখি প্রাণিটি কি? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন একটি ঘাসফড়িং।

 (৮) প্রায় ৬০% মানুষজন এই ছবিতে কোনো প্রাণি খুঁজে পান না। দেখুন তো আপনি পান কিনা। যদি পান তবে আপনার দৃষ্টি ৪০% মানুষের মতো তীক্ষ্ণ। আর যারা খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের জন্য বলে নিই এই গুঁড়িতে রয়েছে একটি পেঁচা।

(৯) এই ছবিতে বালুর ওপর কি দেখা যাচ্ছে তা বুঝতে খুব বেশি কষ্ট হওয়ার কথা নয়।

(১০) কি সুন্দর একটি সবুজ একটি পাতা দেখা যাচ্ছে তাই নয় কি? কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করুন তো পাতাটি। কিছু কি দেখতে পাচ্ছেন?
Read more ...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

অনুসন্ধান

Blogger দ্বারা পরিচালিত.